Mridha Shihab Mahmud is a journalist of www.newshour.online.
Mridha is the chief respondent person in Mymensingh Film & Photography Society (MFPS) and Studio MFPS.
আমাদের নিউজ আওয়ার নিউজ পোর্টাল এর সম্পাদক তারেক ভাই একটা কথা বলেছেন এই ব্যাপারটা শুনে, ""এদেশের গুণী মানুষেরা সবাই কি বেয়াদব, নাকি এদেশ গুণীদের কদর করতে জানে না? কথায় বলে যে দেশে গুণীর কদর নাই, সেদেশে গুণী জন্মায় না। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যাচ্ছে গুণীরা বেহায়ার মতো জন্ম নিয়েই যাচ্ছে, আর দেশ একের পর এক তাদের বেইজ্জতি করেই যাচ্ছে ""। আসলেই আমরা বেহায়া জাতি। আবার সাথে বেহায়া দর্শক ও। চেয়ারে বসে কিছু আবুল তাদের ইচ্ছায় যা মন চায় করে যাচ্ছে আর আমরা চেয় চেয় দেখছি। ভাজ্ঞিস কেউ পপ কর্ন বেচতে চলে আসে না আমাদের এই তাকিয়ে থাকার সময়। নাইলে ব্যাটা আমাদের সব টাকা লুটে নিতো পপকর্ন বেচে। একটা ছেলে নিজের প্রচেষ্টায় দেশের জণ্য গর্ব বয়ে নিয়ে এলো। প্রথম কেউ আমাদের দেশের জন্য বল্ডি বিল্ডিং এর মত প্রতিযোগীতায় ইন্টার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ান হয়ে আসলো, যে কিনা ২০১৫ সালের মিঃ বাংলাদেশ ও ছিলো তাকে বাংলাদেশ বডি বিল্ডিং ফেডারেশন এক কথা বিনা সতর্কীকরন ব্যান করে দিলো সারা জীবনের জন্য। বাহ!! চমৎকার। মামার বাড়ির আবদার বলে কথা। তাদের ভাষ্য হচ্ছে হাসিব হোলি নামের এই ক্রিয়াবিদ তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে যায় নি তাই তাকে আজীবন ব্যান করেছে তারা। আরে ভাই যে মানুষটা এক সময় আপনার জন্য আরো বেশী সম্মান বয়ে আনতে পারে তাকে কেয়ার করে যত্ন করে সাম্নের জন্য প্রস্তুত না করে ব্যান ব্যান খেলার অধিকার কে দিছে! এখানে ব্যাক্তিগত ব্যাপার কেন আসে? কেনো দেশের ভবষ্যত এর জন্য কাজ করা যায় না একবার। কেনো বার বার প্রতিভা গুলোকে অকালে অযত্নের সম্মখীন হতে হয়। কেনো মাঝে মাঝে আমরা উজ্জ্বল নক্ষত্র গুলোকে ঝড়ে পরতে দেখি!! জয় হোক মামদোবাজীর। জয় হোক অসুস্থ রাজনীতির। News: Click Here.
আমি বাসে করে যতটা সময় কাটাই ততটা সময় যদি কোন ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভার প্র্যাক্টিস করতো তার চাদে পৌছে যেতে খুব বেশী দিন লাগতো না।
বাসে এই জার্নি করে বেড়ানোর কারনে আমার ডাক নাম কুড়িয়ার সার্ভিস হয়ে গিয়েছিলো বন্ধুমহলে। জার্নি ব্যাপারটা আমার খুব একটা সমস্যার সৃষ্টি করে না। আমি বিব্রতকর ভাবে মুখ হা করে যখন তখন বাসে ঘুমিয়ে এক্সাবার ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছি। সময় মত দেহের এলার্ম সিস্টেম আমাকে জাগিয়ে রাখে। কিন্তু সমস্যাটা হয় ভর দুপুরে বাসে চড়ে বসলে। ঘুমানী তখনো খুব একটা কষ্টের কিছু না কিন্তু সেই সময়টায় বাসের অপর যাত্রীরা আমার হা করে থাকা ঘুমন্ত ব্লাক হোলের দিকে তাকিয়ে থাকবে তা আমার খুব একটা পছন্দের বিষয় না। চাই না আমার নুরানী চেহারা খানা কোন ফেসবুক পেজ এর ফটোকমেন্ট বা ফটো ট্রোল হয়ে পরিসমাপ্তি হোক। তাই ক্লিপ বাইন্ধা হইলেও চোখ খুইলা রাখি। ক্লিপ জয়ুতু।
এই যাত্রা পথে আমার সময় কাটানোর সব থেকে প্রিয় বিষয় হলো নিজেকে একজন।ক্রিয়েটিভ ব্যাক্তি ভেবে নানা মুখি ক্রিয়েটিভ চিন্তা করা। বাসে ঝিমাইতে ঝিমাইতেই আমি অনেক স্ক্রিপ্ট ও বহু প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত ৪র্থ মাত্রার ফেসবুক স্ট্যাটাস সাজিয়েছি। মানুষে পাত্তা।না দিলেও আমি মনে সিরাম শান্তি অনুভব করেছি। এমন ক্রিয়েটিভ সিব ব্যাপার যখন মাথায় আসে না তখন আপাতত গান শুনে বা মানুষের অনলাইন কৃত্তিকালাপ দেখে সময় পাড় ছাড়া কোন উপায় থাকে না। মাঝে মাঝে অবশ্য ট্রাফিক জ্যাম এর সার্কাস ও দেখার চেষ্টা করি। কিন্তু তা আমার চোখের ক্লিপ খুইলা ফেলার চেষ্টা করে দেখে আপাতত তার থেকে সাবধান থাকার চেষ্টা চালাই।
এমন অবস্থায় আমার অন্যতম প্রিয় কাজ হচ্ছে আশে পাশের মানুষ দেখা বা মানুষ খুজে বেড়ানো। দুইটা জিনিসই আমি ছোট কাল থেকে পছন্দ করি। আমার না লেখা হাজার গল্পের লক্ষ লক্ষ চরিত্র আমাকে ঘিরে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে ভাবতেই ভালো লাগা সৃষ্টি হয়। মানুষ খুজে বেড়ানোর মাঝে অন্যতম প্রধান মহা হচ্ছে তাদের মাঝে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য খুজে পাওয়া। সভাবতই আমি রাসায়নিক বা মানুষিক বিক্রিয়া ঘঠিত (মানুষিক বিকৃতি নহে) কারনে অপর লিঙের সৌন্দর্য খুজে পেতেই ভালো লাগে বেশী। ভাই বিশ্বাস রাখতে পারেন আমি কওন কুনজর বা খারাও ঊদ্দ্যেশ্য নিয়ে তাকাই না। বিশ্বাস করা না করা আপনাদের ব্যাপার।
এটা আশ্বস্ত করতে পারি। আমি চোখে চোখে রেপ করে ফেলার মানুষ না। আর এতো পার্ভাট ও না যে মেয়ে মানুষের দেহ অবলোকন এর অপেক্ষায় বুভুক্ষ কাটাই। মাঝে মাঝে এমন সুন্দর মূহূর্ত গুলো আমি কিছু পুরুষ মানুষদের মাঝেও দেখি তখন সেই সৌন্দর্য টুকুও অনুভব করার চেষ্টা করি। আবারো বলতেছি আমি ওই টাইপের ছেলেও না। সেই একই ব্যাপার বিশ্বাস করা না করা আপনাদের ব্যাপার।
আমি নিজেকে আগেই জোড় পূর্বক প্রতিভাধর সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা চালিয়ে ফেলেছি। প্রতিভার মাত্রা নিন্ম মানের হলেও আমি সন্তষ্ট। তাই আমি নিজেকে আরো ভাবুক ও সৃষ্টিশীল ভাবতে মানুষ ও মানুবিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ব্যকুল চেষ্টা করি। কখনো কারো ঠোটের কোনার এক টুকরো হাসির ছায়ায় আমার ভাবনা আটকে যায়, কখনোবা কারো চোখের এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখায় আমার চোখ আটকে যায়। কিছু সময় হয়তো আমি গাড়ির চলন্ত বাতাসে ঊড়তে থাকা কারো চুল নিয়ে গল্প বেধে ফেলি।
আজ যেমন আমিন বাজার থেকে ভেজা চুল নিয়ে এক জোড়া বিষন্ন চোখ আমার সোজা মহিলা সিটে বসে ছিলো। জানি না বারবার সে কোথায় হারিয়ে যাচ্ছিলো। তবু নিষ্পাপ চাহনিতে আমিও বিষন্ন হয়ে গেলাম। শুধু তাকিয়ে থাকা তার ব্যাস্ত দুই চোখের প্রশ্ন গুলোর মাঝে। সেই প্রশ্নর উত্তর হয়তো আমাদের বিসিএস প্রশ্ন কমিটিও জানেনা। বার দুই শুধু আমার বিষন্ন চাহনির দিকে তাকিয়ে থেকে হঠাত মাঝ রাস্তায় কোথায় হারিয়ে গেলো। তাকিয়েও দেখলো নাবতার খুজতে থাকা প্রশ্নের উত্তর গুলো এক জোড়া অপরিচিত চোখো খুজে বেড়াচ্ছে। হয়তো এক টুকরো শান্তির খোজে।
ফটোগ্রাফি নিয়ে কুতুবগিরি করার বদ অভ্যাস আমার একটু কমই আছে। আমার জানার
সীমানা খুব ছোট তাই বেশী নাড়া চাড়া দিয়ে কথা বলার মত সাহস আমার নেই।
ফটোগ্রাফি ও ফিল্ম সম্পর্কিত একটি সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছি
সৃষ্টিশীলতার সাথে ভালোবাসার তাগিদে। আমাকে অনাকাঙ্খিত অনেক সম্মান দিয়ে
দিয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানটি, যার যোগ্য হয়তো আমি নই।
ছোট একটি শহরের
এই প্রতিষ্ঠানটিকে দাড়া করাতে অনেক গুলো হাতের প্রচুর কষ্টের ভার সইতে
হয়েছে। পাশে পেয়েছিলাম এসময় এমন কিছু মানুষের যারা নিজের ব্যাক্তিগত অনেক
স্বার্থকে দূরে সড়িয়ে রেখে শহরের মাঝে তরুন সৃষ্টিশীলতা নির্মানের ভীত হয়ে
দাড়ীয়েছিলো এবং এখনো দাঁড়িয়ে আছে। তার মাঝে আছে কিছু বন্ধু, কিছু বড়
ভাই/বোন, কিছু ছোট ভাই/ বোন।
এই ছোট চলার পথে আমাদের সংগঠোনের সাথে
সাথে নানা সময় আমাদের সকলকেও নানা ভাবে অপদস্থ হতে হয়েছে কিছু প্রচার
বিমুখ কুটনা ব্যাক্তিত্বের সাথে। যারা আড়ালে থেকেই মুখের যন্ত্রে ফেনা
তোলে। তাদের নিয়ে আমি বা আমরা কখনোই তেমন চর্চা করার ইচ্ছা বোধ করিনি কারন
আমরা তাদের থোরাই কেয়ার করি। আমাদের সামনে এসে যেদিন মুখ তুলে বলার সাহস
রাখবে আমরা নাহয় সেদিন ঘুম ছাড়া হবো।
যে কাদা মাখা পথে হেটে আমরা
একটি মেঠো পথের ছবি একেছি, সেপথে আমাদের আঙ্গুল ধরে হাটতে শিখে পাংখ্যা
স্টাইলে ধূলো উড়িয়ে মটরসাইকেল ঊড়ালেই তোমরা পথ প্রদর্শক হয়ে উঠবে না ছোট্ট
বন্ধু।
তুলসি পাতার মাদুর বিছিয়ে বসে আমাদের নামে জায়গায় জায়গায়
গাজার জপ জুড়ে দিতে পারে কিন্তু অন্যের তোলা ছবিকে নিজের ছবি বলে গল্প
ফাঁদার বদ অভ্যাস তাদের যায়না। নানা অনুষ্ঠানে ছোট ছোট নতুন ছেলে পেলে দের
দিয়ে কাজ করিয়ে নিজের ট্যাগ মেরে তাদের কাজকে নিজের বলে চালিয়ে দেওয়াটা
মোটেও শোভা পায় না। অন্তত শহরের টপ অর্ডার নাইটওয়াচম্যানের গলায় তা মানায়
না। নতুন ক্যামেরা কিনার স্বপ্ন দেখাও ভালো কথা, কিন্তু তা ভাই অনেক মেয়ে
বান্ধবী বানানো যায় সে স্বপ্নটা কেন দেখাও!!
এদের মাঝে একজন মেয়েলি
টাইপ ভদ্রছেলে কিছুদিন আগে একজন সিনিয়ার ফটোগ্রাফার এর কাছে থেকে ছবি নিয়ে
আমাদের প্রদর্শণীতে জমা দিয়েছিলো শুধু আমাদের প্রদর্শনীতে একটি ছবি দেওয়ার
জন্য, সেই আজকাল দেখি আমাদের গড়ে তোলা নতুন আলোকযাত্রির দলের সামনে তাদের
ফটোগ্রাফিচর্চা নিয়ে আঙ্গুল তুলে।
আমার কথা গুলো অনেক অত্মঅহংকারি
টাইপ লাগতেই পারে। এমনটা হয়তো বলতাম না। কিন্তু যখন দেখি আমাদের ভালোবাসা
দিয়ে গড়ে তোলা একটি সৃষ্টিশীল সামাঞ্জস্য পূর্ন স্থাঙ্কে কলংকিত করে তুলছে
তখন অনেক সময়ই ধর্য্যের বাধ ভেঙ্গে যায়। আফটার অল মানুষতো। দোয়া রইলো
তোমারা অনেক বড় হও, আমরা ছোটলোক টাইপ মানুষ এমনি থেকে যাবো।
আমার অনলাইনের
সবথেকে প্রিয় কাজ হলো গুগোলের সাথে গুগলি গুগলি খেলা। এর পরবর্তী স্থান অধিকার করে আছে গুগোল
ম্যাপস এর রাস্থা ঘাট এ নজর রাখা। এরি পরিক্রমায় গত লেখায় লিখেছিলাম গুগোল লোকাল গাইডসসার্ভিস এর প্রয়োগ সম্পর্কে বাংলাদেশের কিছু লোকাল গাইডস এর অল্প কিছু নেতিবাচক কথা।
যেটা হয়তোবা অনেকের কাছেই ভালো লাগেনি। অনেকের কাছেই মনে হয়েছে আমি আমাদের দেশের লোকাল
গাইডস কমিউনিটির নেতিবাচক দিক তুলে ধরেছি আমাদের কমিউনিটিকে ছোট করার জন্য। কিন্তু
তার পিছে যে সমস্যা গুলো তুলে ধরে তার সমাধানের একটি আকুতি ছিলো তা হয়তোবা আমার লেখার
ক্ষমতার অসম্পূর্ন্তার কারনে তাদের চোখ এড়িয়ে যেয়ে থাকতে পারে। তবু তারা যদি আমার লেখায়
কষ্ট পেয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমি আরো বেশী ক্ষমাপ্রার্থী এই জন্য যে এমন
যদি চলতেই থাকে হয়তো আমাকেও এমন লিখা লিখে আবার নিজেকে তাদের চোখে আরো নিচে নামিয়ে
ফেলতে হবে। যাই হোক কালকের ব্যপার কাল্কেই থাকুক, আজকের ব্যাপারে আসি।
মহান জ্ঞানী
তাউসিফ নূরের মত কর যদি বলতে হয়,
-
"আজ আমরা যে ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলবো সেটার নাম হচ্ছে, এই তোমার নামটা কি?"
-
"গুগোল ম্যাপস ম্যেকার"
-
"হ্যা ওর নাম হচ্ছে গুগোল ম্যাপস ম্যেকার, আপনারা যে যেখানেই ওকে পাবেন ওর সাথে
অনেক মজা করবেন, অনেক মজ্জা করবেন"
ব্যাপারটা
আসলেই কিছুদিন ধরে এমনই হয়ে গেছে। গুগোল ম্যাপস মেকার অনেক বেশী মজা করার জায়গা হয়ে
উঠেছে কিছু দিন ধরে। রসিক ম্যাপস মেকাররা মজ্জা করতে যেয়ে পাকিস্থানে ম্যাপস ভূক্ষন্ডে
এ্যান্ড্রোয়েড লোগো দিয়ে এ্যাপেলের লোগোকে হিসিতে সাওয়ার দিয়ে দেয় আর বাংলাদেশ সহ আরো
কিছু কান্ট্রি ম্যাপিং থেকে কয়েকমাস রেস্ট্রিক্টেড থাকে। ইন্ডিয়ান মহাজ্ঞানী কিছু ম্যাপস
মেকার যাদের কেউ কেউ আবার পেইড মেকার বাংলাদেশের ভূক্ষন্ডে এসে নদীর বুকে স্কুলের ম্যাপ
দাড়া করাইয়া দেয়। আমাদের লোকাল এলাকার ম্যাপিং এ এসে আমাদেরকে আমাদের এলাকা চিনিয়ে
দেওয়ার কৃতিত্বও দেখিয়ে গেছেন ওপাড়ের কিছু দাদারা। এতে অনেক মজ্জা পেয়েছিলেন হয়তো দাদারা।
সেই মজাটা এখন মনে হয় তারা কমই নেন। কিন্তু সে টাইপ মজা নেয় এখন আমাদের কিছু নিজের
দেশের দাদারা। তাদের কথাও বলবো। একটু সবুর। আর সাথে আছে আমাদের কিছু অতি উতসাহি নাবুঝে ম্যাপিং করে সংখ্যা বাড়ানো খেলায় মত্ত ভাই
ব্রাদার ।
আমি বেশী
দিন ধরে ম্যাপিং নিয়ে কাজ করছি না। এটাতেও আমার স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকর টাইপ অবস্থা হয়েছে।
আমি মাপিং নিয়েও গিবদ গাইতে বসে গেছি। যখন প্রথম পরিচয় হলো দেশের কিছু দেশের কিছু
RER ও ডেডীকেটেড ম্যাপার এর সাথে, তাদের কাছ থেকে জানলাম তাদের সুন্দর প্রক্ক্রিয়ার
কথা, তাদের চেষ্টায় আমাদের দেশের ম্যাপারদের জন্য ম্যাপিং সহজ হয়ে ঊঠেছে।কিন্তু যাদের ম্যাপিং সহজে এ্যাপ্রুভড হতো না তাদের
জন্য ছিলো RER রিভিঊ সিস্টেম। যার সুপারিসে সহজেই এ্যাপ্রুভড হয়ে যেতো ম্যাপিং। সুন্দর
একটি সিড়ি সিস্টেমের আয়োতায় ছিলো ব্যাপারটি। এখণো সিস্টেমটি চালুই আছে কিন্তু তা অনেকটি
আড়ালেই পড়ে যাচ্ছে গুগোল ম্যাপস এর আরেকটি নতুন হেল্প সার্ভিস কল্যানে। সার্ভিসটি খারাপ
না, কিন্তু কিছু ব্যাক্তি সার্ভিসটিকে বিরোক্তিকর করে তুলছে।
বাংলাদেশের
অনেক ভলেন্টিয়ার ম্যাপাররা মিলে একত্রে কাজ করে আমাদের দেশের ম্যাপের বেশীর ভাগ অংশ
গুগোল ম্যাপে এ্যাড করেছেন। বাংলাদেশের গুগোল এ্যাডভোকেট ও রিজিওনাল এক্সপার্ট রিভিউয়াররা
(RER) মিলে প্রথমে আমাদের দেশের বেশীর ভাগ বিভাগ, জেলা, হাইওয়ে সহ গুরুত্বপূর্ন এলাকার
ও স্থাপনার ম্যাপিং করেছেন যা সংশোধন করা লোকাল ম্যাপারদের জন্য সম্ভব নয়। আমি ব্যাক্তিগত
ভাবে কয়েকজন RER কে চিনি ও তাদের কর্মকান্ড কয়েকদিনে দেখেছি। তারা নিজেদের কাজের ব্যাস্ততার
মাঝেও ভলেন্টিয়ারি এই ওয়ার্কের সাথে আটঘাট বেধে লেগে আছে। ম্যাপিং এ এ্যাড করারা সাথে
সাথে তারা নানা ভুল ম্যাপিং সংশোধন করে আসছে ও অন্যান্য লোকাল ম্যাপারদের ম্যাপিং রিভিউ
করছেন। নানা স্থানে যেয়ে যেয়ে তারা ওয়ার্কশপের মাধ্যমে নতুন ম্যাপার তৈরী করছেন।তাদের কর্মকান্ড ও চেষ্টাকে আমার সালাম।
এই
RER ছাড়াও আছেন কিছু নিবেদিত প্রান ম্যাপার যারা নিজের খেয়ে পড়ের মহিষ তাড়ানোর মত অক্লান্ত
খেটে আমাদের দেশের ম্যাপটাকে অনেকটা অংশে গুছিয়ে এনেছেন। এখন চলছে একে একে নতু স্থান
এ্যাড করে ফিনিশিং এর কাজ। তাদের সকলের রাত দিনের এই পরিশ্রমের কল্যানেই আমরা অনেক
দ্রুততার সাথে অর্জন করেছি গুগোল লোকাল স্ট্রিট ভিউ। আমরা এখন ঘরে বসেই কয়েক জেলার
খুটি নাটি সকল রাস্তা ঘুরে আসতে পারি। এ অর্জন কিন্তু কম বড় নয়।
এই অসাধারন
অর্জন গুলোর নাঝে কিছু অভ্যন্তরিন গলদ রয়ে গেছে। কিছু ম্যাপার অনেকটা অতি আগ্রহের বলেই
শুধু ঘরে বসে আন্দাজের ভিত্তিতে নতুন জায়গা ও স্থাপনা এ্যাড করে ফেলে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই
তারা শুধু নাম ব্যাতীত কোন তথ্য দেয় না। নামের শুদ্ধতার দিকে নজর দেয় না। এ ব্যাপারে
যথেষ্ট সচেতন হবার প্রয়োজন রয়েছে। নিজের এলাকার অথবা যে জায়গাটা সম্পর্কে নিজের সঠিক
তথ্য সহ ধারনা রয়েছে সেই ম্যাপিংটা করে নেওয়াই উচিত। রেকি না করে আন্দাজ কে বিশ্বাস
করে ম্যাপিং করলে আসলেই ঢাকার রাজধানী ব্যাংকক হয়ে যাবে।
আমি দেখেছি
ময়মনসিংহ শহরে ইনটেন্স নামের দোকান খোলার পর কে যেনো তা ইনফিনিটী ম্যাগা মল এর নাম
দিয়ে ওই বিল্ডিং এ এ্যাড করে দিয়েছে। ইনফিনিটি ময়মনসিংহে আসার কথা ঠিকই কিন্তু তা সে
নির্দিশিত স্থানের থেকে অনেক দূরে। আর ব্যাপারটা ঘটেছে যে ব্যাক্তি ম্যাপিংটি করেছে
তার অজ্ঞানতার কারনে। সে কোন রকম যাচাই ছাড়াই শোনা কথায় এ্যাড করে ফেলেছে কাছাকাছি
নাম দেখেই। অবশ্যই এ ক্ষত্রে আরো সচেতন হবার দরকার আছে। গুগোল ম্যাপ আমাদের ডিজিটাল
ট্রাফিক সিস্টেম। আমাদের পর্যটক ও লোকাল মানুষ উভয়ের জণ্য খুব দরকারি জিনিস। আমি যদি
রাতারগুলের ঠিকান খুজে কানারগুল চলে যাই সেটা মটেও কাজের কথা হবে না। ব্যাপারটাতে কিচতু
যতখানি একজন ম্যাপার এর সচেতনতার অভাব তার সাথে সাথে বাকি যে সকল লোকাল এলাকার ম্যাপার
আছেন তাদেরও সচেতনতার অভাব। একজন ভুল এ্যাড করলে বাকি ম্যাপাররা সিটি রিভিউ করার সুযোগ
পান। যা তারা রিপোর্ট করেতে পারেন কারন দেখিয়ে এক্সপার্ট রিভিউয়ারদের রিভিউ এর জণ্য।
আমাদের
দেশের খুব অল্প সংখ্যক এক্সপার্ট রিভীউয়ার (RER) আছেন । তাদের পক্ষে এখন সব তথ্য পরিপূর্ন
ভাবে যাচাই বাচাই করে দেওয়া সম্ভব হয় না। সেই সমস্যা দূর করতে পাকিস্তানের ম্যাপিং
প্রবলেমের পর আবার যখন বাংলাদেশ সহ কয়েক দেশে ম্যাপিং চালু হয় তখন গুগোল প্রায় ২৪ জন
রিজিওনাল লিড নির্বাচন করেছেন রিভিউ করার জন্য। ব্যাপারটা অবশ্যই ভালো। হেল্পিং হ্যান্ড
বাড়লে ব্যাপারটা খারাপ না। কিন্তু এ সকল রিজিওনাল লীড (RL) এর নির্বাচন প্রকৃয়াটা আমার
কাছে অনেকটাই ধোয়াটে লেগেছে। গুগোল মনে হলো শুধু কার কতবেশী ম্যাপিং এ্যাড করা আছে
ও এ্যাডিট আছে তার ভিত্তিতেই সম্ভবত সিলেক্ট করেছেন RL দের। আসকল RL এর মাঝে অনেক ভালো
ভালো ম্যাপার আছে যারা আসলেই অনেক হেল্পফুল ও তাদের কাজে পারদর্শী। তাদের ম্যাপিং গুলো
আসলেই অনেক গুছানো ও তাদের রিভিউ অনেক হেল্পফুল। কিন্তু এর মাঝে কিছু সংখ্যক RL এর
পারদর্শিতার উপর মাঝে মাঝেই সন্দেহ জাগে। সন্দেহ জাগে গুগোল মনে হয় বিবেচনা করে দেখেনি
সে সকল RL দের হাজার হাজার ম্যাপিং এর মাঝে কত গুলো আদ্য সঠিক। নাকি আগের খালি মাঠের
গোলের সুযোগে ঊঠে এসেছে। এমনটা বলার কারন অবশ্যই আছে।
আমার একজন
বন্ধু আছেন যিনি তার এলাকায় প্রতিটি ম্যাপিং হিসেব করে করে করেন। কোন প্রতিষ্ঠান এ্যাড
করার আগে জিপিএস কোডিং দেখে নেয়। ম্যাপের স্যাটালাইট ভিউতে পরিষ্কার ভাবে বিল্ডিং এর
অবস্থান না দেখলে সে এ্যাড করে না। প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন এ্যাড করে দেয়। তার বাড়ির সামনের
মযাপিং নিয়ে যখন তাকে RL রা প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলে বার বার আটকে দেয় কিন্তু রাস্তার
উপর যখন ভুল ম্যাপিং দাড়া করিয়ে দেয় ও সেটা তারা নির্ধিধায় রিভিউ করে সিলেক্ট করে ফেলে।
এমন অবস্থা দেখে তাদের স্থানিয় রিভিয় লিড হওয়া নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে। তাদের একটি
গুগলের থেকে পরিপূর্ন গ্রুমিং দরকার সরাসরি ফিল্ড ট্রেনিং এর মাধ্যমে।
ব্যাক্তিগত
ভাবে আমি মনে করি রিজিঊনাল লিড সকলের আরো সচেতন হবার দরকার আছে। প্রথমেই নেতিবাচক কমেন্ট
দিয়ে আটকে দেওয়ার থেকে একটু সরোজমিন করে দেখে নেওয়া। আর এলাকা সম্পর্কে ধারনা না থাকলে
সেটা নিয়ে না বুঝে সন্দেহ প্রকাশ যেমন উচিত নয় তেমনি না যেনে এ্যাড করে নেওয়াও উচিত
নয়, রিভিউ দেওয়ার আগে একটু ঘেটে দেখে নিয়েন।
আমার স্বল্প
জ্ঞানের পেচালের জন্য আমি দুঃখিত। আশা রাখি যারা এ নিয়ে কাজ করছেন তারা বিস্তারিত আরো
লিখে সকলকে এ নিয়ে আরো সচেতন করে তুলতে পারবেন। যানি না লেখার কারনে আমার ম্যাপিং এর
যে এক আধটা পূর্ব ইতিহাস আছে তাই শেষ ম্যাপিং হয়ে দাঁড়ায় কিনা।
আমার মোবাইল গুলোতে সরকারের পাঠানো "Gov Info" ম্যাসেজের মতে আজ ২১ সেপ্টেম্বর, আয়কর মেলার ৬ষ্ঠ দিন। কিন্তু আপাতত আমার মোবাইলে বাকি সবার পাঠানো ম্যাসেজ মতে আজ জনাব মৃধা শিহাব মাহমুদের নাকি শুভ জন্মদিন।
নিজের জন্মদিন উপভোগের থেকে আনন্দের কি আর হতে পারে!! বছরের ১টা দিনকে নিজের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলতে পারার মত ক্ষমতা জন্ম নেয় এই দিনে। ২১ সেপ্টেম্বর দিনটাও কিছুটা তাই কিনা রেখে দিছি নিজের জন্য। থাকুক পড়ে বাকি দিন গুলো, এই দিন টুকু শুধু আমার, আমার সকল শুভানুধায়িদের।
ফেসবুকের কল্যানে প্রতি বছর ভাই, বইন, বন্ধু, শত্রু বহু মানুষের শুভেচ্ছা (ও বাকি সব কিছু) পেয়ে আসাটা অনেকটাই সহজ হয়ে উঠেছে। এবারের জন্মদিনের থেকে ফেসবুকের রিমাইন্ডার অফ করে দেওয়ার পর থেকে মনে ভাসতেছিলো এবার থেকে মনে হয় আমার জন্মদিনের লোনলি সময় কাটানোর সময় হয়েই গেলো। আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেচারা ২১শে সেপ্টেম্বর ও বার্ধক্যের পিড়া পেতে শুরুই করে দিলো। কিন্তু কিছু বিচ্ছু পোলা মাইয়া ও বন্ধু বান্ধবের কারনে বেচারা ২১ আজো জ্বরা গ্রস্থ হয়ে ঊঠতে পারেনি। আর যারা আমার নিজের একমাত্র দিনটিকে আমার জন্য আরো স্পেশাল করে তুলতে পারে তাদের ধন্যবাদ দেবার ব্যাপারেও আমি কৃপন নই।
আমার পরিবারকে ধন্যাবাদ দিয়ে সময় নষ্টের কিছু নাই। আমার মা আমাকে জন্মদিয়ে আমাকে ধন্য করেছে, তার কোলে আমি জন্মে তাকে ধন্য করেছি ( এ আর এমন কি )। বাকি সবাই খুবি টেনশনে আছে কখন কার কছে কি গিফট চাইয়া বসি।
ধন্যবাদ আমার তিনিকে। যে প্রতিবারের মত এবারো জোর করে আমাকে না উইশ না করে বসে আছে। তুমি সারা জীবন পাশে থেকে এভাবেই উইশ না করে বসে থাকো এই দোয়াই রইলো বেইবি। তোমার সাথের লুকোচুরি খুনশুটিই তো আমার জন্মদিনের সব থেকে বড় গিফট।
আমাকে দ্রুততম উইশ করে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন জনাবা শাগুফতা। জন্মদিন এর রিমাইন্ডার অফ করার দিন ২৮ আগস্ট তারিখে তার দেওয়া কথা সে রেখেছে। যথা সময়ে তার টেক্সট পাবার ব্যাপারে আমার যে পূর্ন বিশ্বাস আছে তা প্রমান করার জন্য তাকে ধইন্নাপাতাবাদ।
আমার সকল বন্ধু বর্গকে অনেক ধন্যবাদ। তারা আমাকে সব দিক থেকে যাইতা ধইরা রাখছে দেইখাই এখনো মৃধা শিহাব বলে কেউ আছে।
উল্লাস আমার গুন্ডামির সকল গোপন খবর প্রকাশ করে দিয়ে আমাকেও বিব্রতের সাগরে ভালোবাসার জাতাকলে ডুবাইয়া দিছে।
আমার সবচেয়ে ঘৃণিত ;) বন্ধু Mridha Shihab Mahmud এর জন্মদিন আজকে।তাকে কীভাবে শুভেচ্ছা জানাবো জানি না কিন্তু কিছু স্মৃতি ...
Posted by Rafiuzzaman Ullash on Sunday, 20 September 2015
বন্ধু বার্গার সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে আমাকে সচেতন হবার উপদেশ দিয়ে ভিডিও প্রেরন করে আমার তৃতীয় নয়ন খুলে দিয়েছে। তোর দেখানো পথে কোন একদিন আমিও বিখ্যাত কামলা হবার আশা রাখি।
রিশাদ নিতুরারা যাত্রাপথের মধ্যখানে আমায় উতসর্গ করে স্ট্যাটাস দিয়ে জ্বার্নির ক্লান্তি ঘারে চাপিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ বন্ধু শিব্বির ও নিম্মি সকাল সকাল সাংসারিক উইশের জন্য। ধন্যবাদ অর্নব, অংকুর, বিকাশ, নবাব সিফাত সহ বাকি সকল বন্ধুদের যারা আমার জীবনকে গড়ে তুলেছে The Ellen DeGeneres Show এর মত বিনোদন হিসেবে।
আমার অফিশিয়াল পরিবার SAFE কে ও অনেক ধন্যবাদ। গত বছর এক সাথে সাভারে আমরা ভূড়িভোজ করেছিলাম, এবছর ঈদ ও যাতায়াত এর নানা গেঞ্জামে হয়তো হয়ে ঊঠলো না। তবু অনেক ধন্যবাদ আপনাদেরকে সব সময় আগলে রাখার জন্য। ধন্যবাদ মশিউর ভাই, শাওন ভাই, মাহি ভাই, নূর ভাই, রজি আপা।
আমি খুবি দুঃখিত আমার এ বছরের এই ডিজিটাল পদক্ষেপের জন্য, যার কারনে হয়তো অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমাকে তাদের ভালোবাসায় সিক্ত করতে পারলেন না। তাদের জন্যও অনেক ভালোবাস ও ধন্যবাদ। এবারের বছর সব থেকে মিস করবো কার্টুনিস্ট কাউসার মাহমুদের ভাইয়ের পাঠানো কার্টুন উইশ।
সাথে সাথে ধন্যবাদ গুগোলকে...জন্মদিন উপলক্ষে এতগুলো মাফিন আর কেকের ফটো পাঠানোর জণ্য।
আমি নতুন বছর টা শুরু করলাম Detox Diet শুরু করে। আশা রাখি তিতা খাওয়াটা এবছর কাজে লাগবে, কিন্তু জীবনটা তিতা হবে না। সর্বাপরি পরিশেষে সকলকে আয়কর মেলার ৬ষ্ঠ দিনের শুভেচ্ছা। বেশী বেশী আয়কর দিন, নাইলে পোলাপাইনের শিক্ষার উপর ভ্যাট লাগাইয়া দিবে আবার।
দ্বিতীয় পর্যায়ঃ
সকালে অর্ধেক জন্মদিনের গল্প বলে শেষ করে বাকি অর্ধেক যা হয় হবে বলে উদাশ সময় কাটানোর মাঝে হঠাত ইচ্ছের কারনে সাভার থেকে আযমকে ধরে পল্লি বিদ্যুতের উদ্দেশ্য বের হয়েছিলাম স্পেশাল বার্গার খাবার জন্য। #MFPS এর তপু ভাই সাভার থাকার দরুন ভাবলাম এক সাথে সময়টুকু নাহয় #MFPS এর কথা ভাবতে ভাবতে কাটাই।
যেই কথা যেই কাজ। অতঃপর তপু ভাই আমার আগেই বিশাল এক কেক নিয়া পল্লি বিদ্যুত হাজির। আমি খুশি মনে পেটে তবলা বাজানোর শুরু করে নাজমুল ভাই, শফিকুল ভাই ও রাকিবকে তাড়া দিচ্ছিলাম জলদি এসে হাজির হতে। এক সাথে বার্গার খামু। কিছুক্ষন পর দেখি রাকিব ও শফিকুল ভাই হেলতে দুলতে আর একটা কেক নিয়া হাজির। নাই কেক থেকে মাথায় দুই দুইটা কেক ভাইংগা পড়ার মত অবস্থা।
কেকের বোঝা বইতে বইতে হ্যাংআউটে কল আস্লো সুদূর ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে। কল রিসিভ করে দেখি সেখানে #MFPS পরিবারের সকলের গালেই ইয়া লম্বা লম্বা কালারফুল গোফ গজিয়ে গেছে। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই সযত্নে গোফে তা দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের অগনিত ভালোবাসার মাঝে আমি এমন ইমো খাইলাম যে মন ভাবলো একটু কাইন্দা নিতে পারলে আরাম হতো। কিন্তু পাশে থাকা সকলের সামনে ইজ্জত রক্ষার চোখের পানি চোখেই বাষ্পিভূত করে ফেল্লমা। তারা আমাকে ভিডিও কনফারেন্সে নানা রকন ট্রিটের হুমকি ধামকি দিয়ে পুরো কেক সাভার করে ফেল্লো ময়মনসিংহে বসে আর আমি সাভারে বসে তপু ভাইকে নিয়ে তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম।
আমরাও কি বসে থাকার মানুষ!! আমার হাতে দুটো কেকের বক্স নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। তাই পাশের চায়ের দোকানে বইসা কেক গুলারে কুপাকুপা কইরা ফেললাম। আমার Detox Diet ভালোই কাজে দিচ্ছিলো হয়তো কিন্তু আবার চকলেট কেক খাইয়া মনে হয় বারোটা বাজিয়ে দিলাম।
সব থেকে পানসে করে কাটানোর জন্য যে জন্মদিনটাকে বেছে নিয়েছিলাম তা হঠাত করেই সব থেকে বেশী রঙ্গীন হয়ে উঠলো আমার জীবনে
ধন্যবাদ সবাইকে...ধন্যবাদ আমার মত একজন আকামের ঢেকিকে বোধ করানোর জন্য যে আমার আশে পাশে আমাকে ঘিরে কতোগুলো হাত আমার শক্তি হয়ে আছে। আমি অনেক বেশীই শুখি মানুষ। হ্যাপী বার্থডে টু মি......
আগামীকাল ১২ সেপ্টেম্বর Global Unoffical Local Guides Photowalk: Bangladesh ইভেন্ট হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নানা শহরে। বাংলাদেশের নানা রকম দর্শনীয় স্থানকে পৃথিবীর সকলের সামনে তুলে ধরার প্রচেষ্টায় এই ইভেন্টের আয়োজন। এর মাঝে আমার ও MFPS এর নেতৃত্বে ময়মনসিংহ শহরেও আয়োজিত হতে যাচ্ছে একটি ফটোওয়াক। মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (শশী লজ) এর সামনে থেকে শুরু হবে আগামীকাল এই ফটো ওয়াক। যেখানে আমরা শহরের নানা রকম জরুরী ল্যান্ড মার্কের ছবি তুলবো ও তার পর তা আমরা শেয়ার করবো এই আনফিশিয়াল ইভেন্টের অফিশিয়াল গুগুল ইভেন্টে। সাথে সাথে আমরা গুগুল লোকাল গাইডের ময়মনসিংহের কমিউনিটিতেও পোষ্ট করবো।
আমাদের এই ফটোওয়াকে থাকছে Mymensingh Film & Photography Society এর সদস্যরা। এছাড়াও অন্যান্য আগ্রহীদের জন্যও রয়েছে অংশগ্রহনের সুযোগ। ময়মনসিংহে যারা আমাদের সাথে অংশ নিতে চান তারা চলে আসতে পারেন আগামী কাল সকাল ১০ঃ৩০ এ শশী লজের সামনে। অথবা আমাকে আমার নাম্বারে কলও দিতে পারেন।
আমাদের ময়মনসিংহের ইভেন্টে যারা অংশ গ্রহন করবেন তারা অবশ্যই কিছু হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করতে ভুলবেন না। #localguides #LocalGuidesMymensingh .
ফটোওয়াকে যারা অংশগ্রহন করতে পারবেন না তাদেরও রয়েছে ডিজিটাল ভাবে অংশগ্রহন করার সুযোগ। ইভেন্টের পেজে যেয়ে আপনার প্রিয় শহরের (ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ইত্যাদি) সম্পর্কিত ছবি পোস্ট করতে পারেন #localguides হ্যাস ট্যাগ ব্যাবহার করে।
"Immunity" শব্দের অনুভূতি একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। নিরাপরাধ হোক বা অপরাধী চোখই হোক সে খুজে ফিরে মুক্তির আনন্দ। আর একজন ভুক্তভুগি খালি খুজে এক টুকরো ন্যায় বিচার লেখা সাদা পাতা। সেই সাদা পাতাইয় লেখা তাদের ভার মুক্তির গল্প।
" তাজরিন গার্মেন্টেস" এর ৩ বছর চলছে। ২৪ নভেম্বর ২০১২ এর এক শীত শীত দিনে আশুলিয়া অঞ্চল হঠাৎ উষ্ণ হয়ে ঊঠেছিলো "তাজরিন" এর ভয়াল অগ্নী শিখায়। সেই আগুনে ১১২ জন কর্মচঞ্চল হাত নিমিষে থমকে গেছে, লেগেছিলো বেওয়ারিশ লাশের মিছিল। আমরা সাধারন মানুষরা সে দিন হতবাক হয়ে চেয়েছিলাম সাভারের আশুলিয়ার আকাশের কালো ধোয়ার মাঝে মৃত্যুর হুংকার শুনে।
নানা দিক-বেদিক অবলকনের পর অবশেষে তাজরিন গার্মেন্টস এর অগ্নিকান্ডে অভিযুক্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধা আনুষ্ঠানিক ভাবে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর অবশেষে তাজরিনের দুই মালিক দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। কিন্তু ন্যায়ের পথে কি এটি পরিপূর্ন পদক্ষেপ?
দোষ কিন্তু সে সকল সরকারি ইন্সপেটারদেরো কম নয় যারা নিয়মিত ইন্সপেকশনের মাধ্যমে নিশ্চিত করেনি একটি নিরাপরাধ কর্মপরিবেশের। হয়তোবা তারা নিরাপত্তার অভাব দেখেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। সে সকল পরিদর্শকেরও কিন্তু দায় এড়িয়ে যাবার কোন উপায় থাকা উচিত না। তারা সঠিক সচেতনতা দেখালে আমাদের দেশে স্পেক্ট্রাম গার্মেন্টস থেকে শুরু করে আশুলিয়ার তাজরিন ফ্যাশন বা সাভারের রানা প্লাজা অথবা দেশের নানা প্রান্তে ঘটে যাওয়া অসংখ্য দুঃর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হতো না। তাদের দায়িত্ব নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা ও বাংলাদেশের স্বর্ন সম্পদ গার্মেন্টস শিল্প ও এর সাথে জড়িত দের জীবনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা। যেহেতু তাদের অনেকি এই কাজটি এড়িয়ে যান তাই অবশ্যই তাজরিনের সাথে জড়িত পরিদর্শকদেরও কিছুটা দায় ভার গ্রহন করে শাস্তির মুখোমুখি হবার দরকার ছিলো।
“Giving immunity to government officials who ignore safety violations reinforces the culture of impunity in Bangladesh, and allows the continuation of the flagrant abuses that permeate Bangladesh’s garment industry,”
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংঘটন SAFE এর সাথে জড়িত। কাজের স্বার্থে বহু শ্রমিক এবং গার্মেন্টস রিলেটেড ব্যাক্তির এর সাথে কাজ করা হয়েছ। এছাড়া ২০১২ সালে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্রত অবস্থায়ও আমি তাজরিনের দুঃর্ঘটনার পরে আমাদের দেওয়ান মিজান স্যার এর সাথে মিলে এর প্রতিবাদে ২০১২ এর ১৬ ডিসেম্বরে একটি প্রতিবাদি আর্টফর্ম উপস্থিত করেছিলাম শাহাবাগ এর জাতীয় যাদুঘরের সামনে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে শুরু করে, দেশী বিদেশী সকলে মিলে অংশ নিয়েছিলো এই প্রতিবাদে। সবখানেই সকলের শুধু একটিই চাওয়া ছিলো। শ্রমিক এর জীবনের জন্য ন্যায্য নিরাপত্তা ও কর্মপরিবশের নিশ্চয়তা।এখনো আমাদের সেটাই চাওয়া শ্রমিকদের মৃত্যু থেকে মুক্তি ও ন্যায় বিচার।
আমাদের বাংলাদেশে আমার জানা তথ্য মতে এখন পর্যন্ত ইসলাম ধর্মানুসারী জনগনের সংখ্যা ৮৯.৭% ...সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বি ৯.২% । এছাড়া ০.৭% বুদ্ধ ধর্মানুসারী ও ০.৩% খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বি ও ০.১% অন্যান্য ধর্মনুসারী আছেন। আমাদের ঢাকা শহর পরিচিত মসজিদের নগরী এর অবস্থান গত প্রাচুর্যতার কারনে। এছাড়াও সারা দেশ ব্যাপী নতুন,পুরাতন বা ঐতিহাসিক মর্যাদা সম্পূর্ন অনেক মসজিদ মন্দির বা চার্চ। কিন্তু আমরা কয়জনে জানি যে এদেশে কিছু সংখ্যক শিখ ধর্মাবলম্বি ব্যাক্তির বসবাস ও তাদের গুরুদোয়ারা নানক শাহ মন্দির আছে। হয়তোবা অনেকেরই কিছুটা জানা থাকার কথা কারন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিলক্ষেত এর রাস্তায় চলার পথে অনেকেই আমরা রাস্তার ধারে গুরুদোয়ারার গেট দেখেছি। তাই এর অস্তিত্বের কথা আমাএর কিছুটা জানা থাকার কথাই।
পূর্বে এদেশ ভাগ হবার পূর্বে শিখদের আসা যাওয়া ছিলো বাংলাদেশের ঢাকা সহহ
চট্টগ্রাম অঞ্চল গুলোতে। এছাড়া মোঘোল আমলেও শিখ সৈনিকের কাজের জন্য এদকে আশাযাওয়া ছিলো। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে খুবি কম সংখ্যক শিখ সম্প্রদয়ের পবিবার অবস্থান করেন। গুটি দশেক পরিবার ঢাকায় বসবাস করেন মূলত ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের। ১৯৭২ সালের পর থেকে ভারত সরকার নিয়মিত ঢাকা ইন্ডিয়ান হাই কমিশনে ৩ জন করে শিখ কর্মকর্তা প্রেরন করে আসছে। এছাড়াও নানা রকম NGO এর চাকরিরত থাকার কারনে অনেক শিখ বাংলাদেশে আসা যাওয়ার মাঝে থাকে। মূলত তাদের যাতায়তই বর্তমানে এখানকার গুরুদোয়ারা গুলোতে।
১৫০৬-১৫০৭ এর দিকে গুরু নানক এর ভ্রমনের স্বরনে ঢাকা গুরুদোয়ারা প্রতিষ্ঠিত হয় বলে যানা যায়। ১৮৩০ সালে এই গুরু দোয়ারা প্রথম তৈরী হয় বলে জনশ্রুতি আছে এবং এর নতুন বিল্ডিং ১৯৮৮-১৯৮৯ এর দিকে তৈরী হয়।
তথ্য মতে বাংলাদেশ ৭টি গুরুদোয়ারা আছে।
১। গুরুদোয়ারা নানকশাহী ঢাকা
২। বাংলাবাজার গুরুদোয়ারা
৩। গুরু দোয়ারা সঙ্গততোলা, ঢাকা
৪। গুরুদোয়ারা শ্রি তেগ বাহাদুর, ঢাকা
৫। গুরু নানক শাহী মন্দির, ময়মনসিংহ
৬। পাহারতলী গুরুদোয়ারা, চট্টগ্রাম
৭। শিখ টেম্পেল এস্ট্যেট চট্টগ্রাম
গুরু নানক মন্দির, ময়মনসিংহ
আমার সাথে ময়মনসিংহের সম্পর্ক অনেক পুরোনো কিন্তু আমি অনেক দিন জানতামই না এখানে একটি শিখ সম্প্রদায়ের গুরুদুয়ারা অবস্থিত। কিছু সংখ্যক স্থানীয় শিখ পরিবারের বসবাসও এখানে। গুরু নানক শাহী মন্দিরটির পরিধি অনেকটা ছোট হলেও এর কার্যক্রম কিন্তু কম নয়। নিয়োমিত এখানে শিখ সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়ে আসছে। ঢাকা গুরুদোয়ারা ও ইন্ডিয়া থেকে অনুষ্ঠানের সময় এখানে শিখ ধর্মগুরুরা আসেন তাদের সঙ্গিদের নিয়ে। আমার জানা মতে ময়মনসিংহের গুরু নানক শাহী মন্দিরটির "তখত" দেখাশোনার দায়িত্বে যিনি আছেন তিনি গুরু দোয়ারার সামনের একটি জুতার দোকানের মালিক।
ইচ্ছে আছে ময়মনসিংহের নানা ঐতিয্যের সাথে সাথে এখানের অন্তরালে পরে যাওয়া সংস্কৃতির ঐতিয্যকেও তুলে ধরার জন্য কাজে নামবো। আশা রাখি Mymensingh Film & Photography Society এর উদ্দ্যোগে ও আয়োজনে আমরা এই ইচ্ছেটুকু পূরন করতে পারবো।
শিক্ষা নগরী ময়মনসিংহ প্রসিদ্ধ তার শিল্প ও সংস্কৃতি
চর্চার জন্য। নানা বিষয়ক শিল্প চর্চার ক্ষেত্রে স্বর্নাক্ষরে নাম লিখে
যাওয়া অনেক গুনী ব্যক্তির পদচারণায় মুখরিত হয়ছে আমাদের এই প্রিয় শহর
ময়মনসিংহ। উল্লেক্ষ্য যে, ময়মনসিংহের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের স্থিরচিত্র
জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব “নায়েব উদ্দীন আহমেদ” এর মত নাম। যার তোলা
মুক্তিযুদ্ধ সময়ের আলোকচিত্র কাপিয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বের বিবেককে। এছাড়াও
আমাদের এই শহরের বাতাসে মিশে আছে প্রখ্যাত সাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচিত্র
নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। যার নির্মিত নাটক ও চলচিত্র বদলে দিয়েছে আমাদের
দেশের মিডিয়ার রূপ রেখা।
কিন্তু দুঃখের ব্যাপার এই যে , একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই শহরে
আলোকচিত্র ও চলচিত্র নিয়ে উল্ল্যেখ করার মত কার্জক্রম পরিচালিত হয়েছে খুব
নগন্য। এই পর্যায়ে ২০১২ সালের ৩১ আগস্ট থেকে Mymensingh Film & Photography Society প্রাথমিক পর্যায়ে অনলাইন
কেন্দ্রিক কাজ শুরু করে যা পর্যায়ক্রমে মাঠ পর্যায়েও নিয়ে যেতে সক্ষম হয়
এবং এখনো নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পাশে থেকে
সব সময় সাহস দিয়ে এসেছেন জনাব ইকরামুল হক টিটু,জনাব মুস্তাকীম বিল্লাহ
ফারুকী, জনাব আ. ন. ম. ফয়জুল হক, জনাব ডাঃ আবুল মনসুর, জনাব অরুণাভ দত্ত,
জনাব সংকর শাহা, জনাব আশরাফুল হক মানিক, জনাব হাসান মাসুদ এর মত গন্যমান্য
ব্যক্তিরা। এছারাও ময়মনসিংহ পৌরসভা ও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন এর মত
প্রতিষ্ঠানের ছত্রছায়া ও সহায়তায় এই তারুণ্য কেন্দ্রিক সংস্থাটি নানা
কার্যক্রম সফলতার সাথে সম্পূর্ণ করতে পেরেছে।
লক্ষ্যঃ Mymensingh Film & Photography Society এর লক্ষ ময়মনসিংহের তরুণদের সৃষ্টীশীল প্রতিভাকে কাজে
লাগিয়ে ময়মনসিংহের স্থিরচিত্র ও চলচিত্র শিল্পকে বিকশিত করার মাধ্যমে
বিশ্বদরবারে পৌছে দেওয়ার একটি প্রয়াস।
সম্পন্নকার্যক্রম সমূহঃ Mymensingh Film & Photography Society কর্তৃক সম্পাদিত কার্যক্রম সমূহ উল্ল্যেখ করা হলো।
* স্থির চিত্র প্রদর্শনীঃ -
১। রিলিজ দ্যা সাটারঃ ব্রক্ষশৈলী ময়মনসিংহের সহায়তায় ময়মনসিংহ ফিল্ম
অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি #MFPS ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল – ২০ এপ্রিল আয়োজিত
হয় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি এর প্রথম আলোকচিত্র
প্রদর্শনী “রিলিজ দ্যা সাটার”। যা ছিল ,ময়মনসিংহে আয়োজিত অন্যতম সফল ও
পরিপূর্ন আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
২। ছবি উৎসবঃ পহেলা ফাল্গুনকে কেন্দ্র করে ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারী ময়মনসিংহ
পৌরসভার সহায়তায় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি তাদের ২য়
আলোকচিত্র প্রদর্শণী আয়োজন করে জয়নুল আবেদীন পার্কের বৈশাখী মঞ্চে। যা ছবি
তুলে উদ্ভদন করেন ময়মনসিংহ পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু। এই
প্রদর্শনীও তার দর্শক প্রিয়তার যাত্রা ধরে রাখে।
৩। শারদীয় ফটো এক্সিবিশনঃ ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির
উদ্দ্যোগে ময়মনসিংহের ইতিহাসে প্রথম শারদীয় উৎসবের রঙকে ফ্রেমে বন্দি করে
দূর্গাবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গনে ২ – ৩ অক্টোবর, ২০১৪ বসেছিল শারদীয় ফটো
এক্সিবিশন।
৪। “শান্তি ও পরিবেশ” ফটো প্রদর্শনীঃ এমসিসি বাংলাদেশ, মাটি ও শান্তি
মিত্র আয়োজিত হয় শান্তি ও ন্যায্যতা উৎসব। উল্ল্যেখিত সংস্থা গুলোর সাথে
একত্রিত হয়ে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি আয়োজন করেছে “শান্তি
ও পরিবেশ” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। যা আয়োজিত হয় ৬ – ৭ নভেম্বর,
২০১৪।
৫। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীঃ ২০১৪
এর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ উপজেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ ফিল্ম
অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত ও
পুরুষ্কৃত হয় স্কুল-কলেজ সহ প্রায় ২৪ টি ছবি।
৬। রিলিজ দ্যা সাটার ১/২ঃ জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালার অডিটরিয়ামে নিকনের
সহযোগীতায় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির উদ্দ্যোগে ২০১৫ এর
৩-৭ জুন আয়োজিত হয়েছে রিলিজ দ্যা সাটার ১/২। ৫৪ জন ফটোগ্রাফারের ৫৪ টি ছবি
স্থান পায় প্রদর্শনীতে।
** আলোকচিত্র কর্মশালাঃ ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি নতুন ফটোগ্রাফারদের শিক্ষার সহায়তার জন্য একাধিক কর্মশালা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
** মিডিয়া সহায়তাঃ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত
ও ময়মনসিংহে চিত্রায়িত “মেঘমল্লার” এর ন্যায় সিনেমায় আমাদের তরফ থেকে
প্রয়জনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছারাও কিছু ময়মনসিংহে চিত্রায়িত নাটক ও
টেলিফিল্ম এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
** টেকনিক্যাল সহায়তাঃ ময়মনসিংহের নতুন আলোকচিত্রি ও নির্মাতাদেরকে যথা সম্ভব কারিগরি সহায়তা প্রদান করে আসছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি।
** ফোটোওয়াকঃ তরুন আলোকচিত্র শিল্পিদের নিয়ে একাধিক
ফটোওয়াক আয়োজন করেছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি। উক্ত
ফটোওয়াক থেকে নির্বাচিত সেরা ফটোকে পুরুষ্কৃত করা হয়েছে।
** ফটো কন্টেষ্টঃ একাধিক ফটো কন্টেষ্ট আয়োজনের মাধ্যমে নতুন আলোকচিত্রশিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরনা সৃষ্টি করেছে।
** অন লাইন সাপোর্টঃ স্থির চিত্র ও চলচিত্র বিষয়ে আগ্রহীদের সব সময় সহায়তা দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের নানা সোশাল মিডিয়ার পেজ ও ওয়েব সাইট ( www.mymensinghfps.com )। যেখানে আগ্রহীরা জিজ্ঞাসা করতে পারে তাদের নানা প্রশ্ন।
ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ আমাদের পরিকল্পনাধীন প্রকল্প গুলোর মাঝে কিছু নিচে ঊল্ল্যেখিত হল। ১। স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র ও ডকুমেন্টারি ফেস্টিভালঃ
আমাদের শহরের সৃষ্টিশীল তরুন ও দেশের অন্য প্রান্তের সৃষ্টিশীল তরুনদের
নির্মিত স্বল্প দৈর্ঘের চলচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও এর নিমিত্তে
স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র ফেস্টিভালের আয়োজন করা। ২। আলোকচিত্র প্রদর্শনীঃ আরো বড় মাপের আলোকচিত্র
প্রদর্শনীর আয়োজনের মাধ্যমে এ শহকে সারা দেশ তথা সারা বিশ্বের কাছে তুলে
ধরা। এছাড়া প্রদর্শণীর ধারাবাহিকতা বজায় রাখে নতুন ফটোগ্রাফারদের আরো
উদ্ভুদ্ধ করা। ৩। চলচিত্র প্রদর্শনীঃ ভালো মানের চলচিত্র প্রদর্শণী আয়োজনের মাধ্যমে দেশের উল্ল্যেখযোগ্য ফিল্ম তীর্থ গড়ে তোলা ময়মনসিংহে। ৪। স্থায়ী গ্যালারীঃ আমারা স্বপ্ন দেখি ময়মনসিংহে
অন্যান্য উন্নত ও সভ্য শহরের মত একটি বিশ্বমানের স্থায়ী গ্যালারী
প্রতিষ্টিত হবে। যাতে নিয়মিত হবে মান সম্পূর্ন ও শিল্পগুণ সমৃদ্ধ
প্রদর্শনী। ৪ ভ্রাম্যমান চলচিত্র ও স্থিরচিত্র প্রদর্শনীঃ
ভ্রাম্যমান প্রদর্শনীর মাধ্যমে চলচিত্র ও স্থির চিত্রকে সবখানে পৌছে দেওয়ার
প্রয়াশ রয়েছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির। বিশেষত
ময়মনসিংহের স্কুল কলেজ গুলোতে পৌছে দিতে চায় এই নবযাত্রার মিছিল। ৫। প্রশাসন ও শহরের কজে সহায়তা করাঃ প্রশাসনের প্রয়োজনে আমাদের দক্ষ আলোকচিত্রি ও নির্মাতাদের সহায়তায় প্রশাসনিক শিল্প সম্পৃক্ত কাজে অংশগ্রহন। সম্প্রিতিক সময়ে আমারা আমাদের সাধারন সদস্য পদ ওপেন করেছি ও প্রথম পর্যায়ে ২০ জন সদস্য নতুন যোগ হয়েছে আমাদের কার্য নির্বাহী গ্রুপের সাথে। ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড
ফটোগ্রাফি সোসাইটি নামের ক্রমশ বর্ধমান সৃষ্টিশীল বৃক্ষটির দরকার সকলের
সহায়তা ও সুনজর। আমরা সকলে একসাথে থেকে ছড়িয়ে দিবো আমাদের দৃষ্টিসীমা।