Bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Bangladesh লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭

Shame!! BBF !! Assets are not toy to play with || Bangladeshi bodybuilder banned for life for being a winner ||




আমাদের নিউজ আওয়ার নিউজ পোর্টাল এর সম্পাদক তারেক ভাই একটা কথা বলেছেন এই ব্যাপারটা শুনে, ""এদেশের গুণী মানুষেরা সবাই কি বেয়াদব, নাকি এদেশ গুণীদের কদর করতে জানে না? কথায় বলে যে দেশে গুণীর কদর নাই, সেদেশে গুণী জন্মায় না। কিন্তু আমাদের দেশে দেখা যাচ্ছে গুণীরা বেহায়ার মতো জন্ম নিয়েই যাচ্ছে, আর দেশ একের পর এক তাদের বেইজ্জতি করেই যাচ্ছে ""।

আসলেই আমরা বেহায়া জাতি। আবার সাথে বেহায়া দর্শক ও। চেয়ারে বসে কিছু আবুল তাদের ইচ্ছায় যা মন চায় করে যাচ্ছে আর আমরা চেয় চেয় দেখছি। ভাজ্ঞিস কেউ পপ কর্ন বেচতে চলে আসে না আমাদের এই তাকিয়ে থাকার সময়। নাইলে ব্যাটা আমাদের সব টাকা লুটে নিতো পপকর্ন বেচে। 


একটা ছেলে নিজের প্রচেষ্টায় দেশের জণ্য গর্ব বয়ে নিয়ে এলো। প্রথম কেউ আমাদের দেশের জন্য বল্ডি বিল্ডিং এর মত প্রতিযোগীতায় ইন্টার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ান হয়ে আসলো, যে কিনা ২০১৫ সালের মিঃ বাংলাদেশ ও ছিলো তাকে বাংলাদেশ বডি বিল্ডিং ফেডারেশন এক কথা বিনা সতর্কীকরন ব্যান করে দিলো সারা জীবনের জন্য। বাহ!! চমৎকার।

মামার বাড়ির আবদার বলে কথা।

তাদের ভাষ্য হচ্ছে হাসিব হোলি নামের এই ক্রিয়াবিদ তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে যায় নি তাই তাকে আজীবন ব্যান করেছে তারা। আরে ভাই যে মানুষটা এক সময় আপনার জন্য আরো বেশী সম্মান বয়ে আনতে পারে তাকে কেয়ার করে যত্ন করে সাম্নের জন্য প্রস্তুত না করে ব্যান ব্যান খেলার অধিকার কে দিছে! এখানে ব্যাক্তিগত ব্যাপার কেন আসে? কেনো দেশের ভবষ্যত এর জন্য কাজ করা যায় না একবার। কেনো বার বার প্রতিভা গুলোকে অকালে অযত্নের সম্মখীন হতে হয়। কেনো মাঝে মাঝে আমরা উজ্জ্বল নক্ষত্র গুলোকে ঝড়ে পরতে দেখি!!

জয় হোক মামদোবাজীর। জয় হোক অসুস্থ রাজনীতির।

News: Click Here.

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

I wish to be a truck driver someday

একজম ঘাতক খুনী ট্রাক ড্রাইভার এর কারনে যখন আমরা তারেক মাসুদ এর মত একজন নির্মাতাকে হারিয়েছিলাম, সাথে মিশুক মুনির এর মত চিত্রগ্রাহক হারিয়েছিলাম আমরা শোকে স্তন্ধ হয়ে গিয়ে মনে মনে ভেবেছিলাম হয়তো সিনেমা দেখছি দুঃখের সিন চলছে। হয়তো একটু পর সিনেমা শেষ হয়ে যাবে। সাংবাদিকরা নির্মাতাকে জিজ্ঞাসা করবে এমন গভির শোক ভরা অর্থবহ চলচিত্র নির্মানের পর আপনার অনুভূতি কি? আমরা সে দিন বলে উঠিনি ধর্মঘট এর ডাক দিলাম । রাস্থা হোক বা চলচিত্র। আমরা শোক কাটিয়ে ঊঠে আবার আর একজন তারক মাসুদের খোজে বুক বেধেছিলাম। এর এক জন মিশুক মুনিরের চোখে নতুন ফ্রেম দেখার স্বাদ করেছিলাম। এখনো সেই খোজ চলেই যাচ্ছে কিন্তু আমাদের খোজের শেষ আর হয়না। আর তো মাটির ময়না ঊড়ে না আকাশে।

অবশেষে এত দিন পর মহামান্য হাই কোর্ট রায় দিলেন সেই ঘাতক ট্রাক ড্রাইভার এর বিপক্ষে । না না মৃত্য দন্ড নয়। মাত্র ১৪ বছরের কারাবাস। এখনো জানি না সেই ১৪ বছরেও কি আমরা আমাদের নতুন এক তারেক বা মিশুক এর খোজ পাবো কিনা। তবু নুকে আশার দেখা মিল্লো। যাক কিছুটা বিচার তো পেয়েছে বাংলা চলচিত্র মেধার কান্ডারিরা। হয়তো এবার চালকরা হবে আরো সচেতন। নাম না জানা আরো অনেক প্রতিভাকে হয়তো অসময়ে হারানোর ভয় থেকে আমরা মুক্তি পাবো। ক্যাথ্রিন মাসুদ ও হয়তো তেমন্টা ভেবে সিদিন রাতে একটু শান্তিতেই ঘমিয়েছিলেন। আজ হঠাত কোন কথা বার্তা না বলে সেই ঘাতকের আশে পাশের পুরানো আর নতুন সব ঘাতকরা মিলে দেশে যানবাহন ধর্মঘট ডেকে অচল করে দেওয়ার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হলো। ভাংচুর করলো। মানূষকে কষ্টা দিয়ে নির্মম হাসি হেসে দেখালো তাদের ক্ষমতা কম নয়। আর আমাদের প্রশাসন থেকে সে বিষয়ে কোন দরকারি পদক্ষেপ বা ঘোষনা দেখতেই পেলাম না। আহা কান্ডারি। কি ভুল যে করলাম। এত কষ্ট না করে ট্রাক ড্রাইভার হলেই তো হতো। এক দিন আমার জন্য দেশ অচল হতেই পারতো।




সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

Use of Improved cook stove and retained heat cooker in Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা  ইউএসএআইডি’র ক্যাটালাইজিং ক্লিন এনার্জি ইন বাংলাদেশ প্রকল্প, জার্মানি ভিত্তিক উন্নয়ন সহযোগী জিআইজেড ও আন্তর্জাতিক মৎস্য গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের যৌথ উদ্যোগে  পরিবেশ বান্ধব উন্নত চুলা ও রিটেইনড হিট কুকারকে জনপ্রিয় করার লক্ষে  ভোলার জেলা পরিষদে একটি আঞ্চলিক পর্যায়ের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।



ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ডফিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ইকোফিশ প্রকল্পের সুবিধাভোগী ভোলা জেলার ৪০ টি জেলে পরিবারকে  পরীক্ষামূলকভাবে  বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব উন্নত চুলা প্রদান করা হবে ।   সিসিইবি এ বিষয়ে যাবতীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে । এ বিষয়ে ইকোফিশ প্রকল্পের জীবিকা ও সহনশীলতা বিষয়ক বিজ্ঞানী মারটিন ভ্যান ব্রাকেল বলেন “ জলবায়ু- সহিষ্ণু এ প্রযুক্তি জালানি ও রান্নার সময় দুইই বাঁচাবে । এতে করে দীর্ঘ মেয়াদে এ প্রযুক্তি ব্যবহারে দরিদ্র পরিবারগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হবার পাশাপাশি তাদের উৎপাদনশীলতাও বাড়বে “ । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, রিটেইনড হিট কুকার ব্যবহারে রান্নার সময় প্রায় ৫০ ভাগ পর্যন্ত কম লাগে ।

|| For English Please Click and Read ||

সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৬

Smart Grid in Bangladesh using Renewable Energy

নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যাবহার এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এর বৈদ্যুতিক উৎপাদন ঘাটতি নিরাশনে আধুনিক প্রযুক্তি এর  মাধ্যমে স্মার্ট গ্রিড তৈরী করে কিভাবে সাফল্য পাওয়া যেতে পারে তা নিয়ে কাজ করছেন তরুন গবেষক মুক্তাদীর আহমেদ। এ নিয়ে তার একটি তার প্রকাশনা কিছুদিন আগে প্রকাশ পেয়েছিল  IEEE এর জার্নালে।

জনাব মুকাদীর আহমেদ ও তার দল মূলত আমাদের দেশ বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপট চিন্তা করে আমাদের জন্য একটি কার্যকারী সমাধান তুলে ধরতে চেয়েছেন।

হয়তো এমন কিছু উদ্দ্যোগ এর সফল প্রয়োগ আমাদের দেশে ব্যাপক আকারে করতে পারলে আমাদেরকে রামপাল এর মত নানা শক্তি উতপাদন কেন্দ্র নিয়ে দ্বিপাক্ষিক চিন্তার মাঝে বসবাস করতে নাও হতে পারতো।

যাই হক আশা রাখি আমাদের দেশের তরুন মস্তিস্ক গুলো এক সাথে কাজ করে আমাদের এমন সমস্যা গুলোকে সমাধানের পথ দেখাবে।
.................................................

Renewable energy is generally defined as energy that is collected from resources which are naturally replenished on a human timescale, such as sunlight, the wind, rain, tides, waves, and geothermal heat. Now think of a grid system which is much better than conventional grid system and can work bilaterally.



Bangladeshi researcher Muktadir Ahmed and his team addresses the Perspective of smart grid in Bangladesh using renewable energy (solar energy). They published this research last year in IEEE explore the digital library.

The main theme of their research is to implement smart grid in Bangladesh and to integrate renewable (solar energy) energy with it to increase production of power and eliminate power shortage in Bangladesh.

Read the full article: https://goo.gl/mNrFBa





বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

গুগোল ম্যাপ মেকার্স, রিভিউ ও আমরা



আমার অনলাইনের সবথেকে প্রিয় কাজ হলো গুগোলের সাথে গুগলি গুগলি খেলা। এর পরবর্তী স্থান অধিকার করে আছে গুগোল ম্যাপস এর রাস্থা ঘাট এ নজর রাখা। এরি পরিক্রমায় গত লেখায় লিখেছিলাম গুগোল লোকাল গাইডসসার্ভিস এর প্রয়োগ সম্পর্কে বাংলাদেশের কিছু লোকাল গাইডস এর অল্প কিছু নেতিবাচক কথা। যেটা হয়তোবা অনেকের কাছেই ভালো লাগেনি। অনেকের কাছেই মনে হয়েছে আমি আমাদের দেশের লোকাল গাইডস কমিউনিটির নেতিবাচক দিক তুলে ধরেছি আমাদের কমিউনিটিকে ছোট করার জন্য। কিন্তু তার পিছে যে সমস্যা গুলো তুলে ধরে তার সমাধানের একটি আকুতি ছিলো তা হয়তোবা আমার লেখার ক্ষমতার অসম্পূর্ন্তার কারনে তাদের চোখ এড়িয়ে যেয়ে থাকতে পারে। তবু তারা যদি আমার লেখায় কষ্ট পেয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমি আরো বেশী ক্ষমাপ্রার্থী এই জন্য যে এমন যদি চলতেই থাকে হয়তো আমাকেও এমন লিখা লিখে আবার নিজেকে তাদের চোখে আরো নিচে নামিয়ে ফেলতে হবে। যাই হোক কালকের ব্যপার কাল্কেই থাকুক, আজকের ব্যাপারে আসি।

মহান জ্ঞানী তাউসিফ নূরের মত কর যদি বলতে হয়,
 
- "আজ আমরা যে ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলবো সেটার নাম হচ্ছে, এই তোমার নামটা কি?"
- "গুগোল ম্যাপস ম্যেকার"
- "হ্যা ওর নাম হচ্ছে গুগোল ম্যাপস ম্যেকার, আপনারা যে যেখানেই ওকে পাবেন ওর সাথে অনেক মজা করবেন, অনেক মজ্জা করবেন"

ব্যাপারটা আসলেই কিছুদিন ধরে এমনই হয়ে গেছে। গুগোল ম্যাপস মেকার অনেক বেশী মজা করার জায়গা হয়ে উঠেছে কিছু দিন ধরে। রসিক ম্যাপস মেকাররা মজ্জা করতে যেয়ে পাকিস্থানে ম্যাপস ভূক্ষন্ডে এ্যান্ড্রোয়েড লোগো দিয়ে এ্যাপেলের লোগোকে হিসিতে সাওয়ার দিয়ে দেয় আর বাংলাদেশ সহ আরো কিছু কান্ট্রি ম্যাপিং থেকে কয়েকমাস রেস্ট্রিক্টেড থাকে। ইন্ডিয়ান মহাজ্ঞানী কিছু ম্যাপস মেকার যাদের কেউ কেউ আবার পেইড মেকার বাংলাদেশের ভূক্ষন্ডে এসে নদীর বুকে স্কুলের ম্যাপ দাড়া করাইয়া দেয়। আমাদের লোকাল এলাকার ম্যাপিং এ এসে আমাদেরকে আমাদের এলাকা চিনিয়ে দেওয়ার কৃতিত্বও দেখিয়ে গেছেন ওপাড়ের কিছু দাদারা। এতে অনেক মজ্জা পেয়েছিলেন হয়তো দাদারা। সেই মজাটা এখন মনে হয় তারা কমই নেন। কিন্তু সে টাইপ মজা নেয় এখন আমাদের কিছু নিজের দেশের দাদারা। তাদের কথাও বলবো। একটু সবুর। আর সাথে আছে আমাদের কিছু অতি উতসাহি না  বুঝে ম্যাপিং করে সংখ্যা বাড়ানো খেলায় মত্ত ভাই ব্রাদার ।

আমি বেশী দিন ধরে ম্যাপিং নিয়ে কাজ করছি না। এটাতেও আমার স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকর টাইপ অবস্থা হয়েছে। আমি মাপিং নিয়েও গিবদ গাইতে বসে গেছি। যখন প্রথম পরিচয় হলো দেশের কিছু দেশের কিছু RER ও ডেডীকেটেড ম্যাপার এর সাথে, তাদের কাছ থেকে জানলাম তাদের সুন্দর প্রক্ক্রিয়ার কথা, তাদের চেষ্টায় আমাদের দেশের ম্যাপারদের জন্য ম্যাপিং সহজ হয়ে ঊঠেছে।  কিন্তু যাদের ম্যাপিং সহজে এ্যাপ্রুভড হতো না তাদের জন্য ছিলো RER রিভিঊ সিস্টেম। যার সুপারিসে সহজেই এ্যাপ্রুভড হয়ে যেতো ম্যাপিং। সুন্দর একটি সিড়ি সিস্টেমের আয়োতায় ছিলো ব্যাপারটি। এখণো সিস্টেমটি চালুই আছে কিন্তু তা অনেকটি আড়ালেই পড়ে যাচ্ছে গুগোল ম্যাপস এর আরেকটি নতুন হেল্প সার্ভিস কল্যানে। সার্ভিসটি খারাপ না, কিন্তু কিছু ব্যাক্তি সার্ভিসটিকে বিরোক্তিকর করে তুলছে।

বাংলাদেশের অনেক ভলেন্টিয়ার ম্যাপাররা মিলে একত্রে কাজ করে আমাদের দেশের ম্যাপের বেশীর ভাগ অংশ গুগোল ম্যাপে এ্যাড করেছেন। বাংলাদেশের গুগোল এ্যাডভোকেট ও রিজিওনাল এক্সপার্ট রিভিউয়াররা (RER) মিলে প্রথমে আমাদের দেশের বেশীর ভাগ বিভাগ, জেলা, হাইওয়ে সহ গুরুত্বপূর্ন এলাকার ও স্থাপনার ম্যাপিং করেছেন যা সংশোধন করা লোকাল ম্যাপারদের জন্য সম্ভব নয়। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে কয়েকজন RER কে চিনি ও তাদের কর্মকান্ড কয়েকদিনে দেখেছি। তারা নিজেদের কাজের ব্যাস্ততার মাঝেও ভলেন্টিয়ারি এই ওয়ার্কের সাথে আটঘাট বেধে লেগে আছে। ম্যাপিং এ এ্যাড করারা সাথে সাথে তারা নানা ভুল ম্যাপিং সংশোধন করে আসছে ও অন্যান্য লোকাল ম্যাপারদের ম্যাপিং রিভিউ করছেন। নানা স্থানে যেয়ে যেয়ে তারা ওয়ার্কশপের মাধ্যমে নতুন ম্যাপার তৈরী করছেন।  তাদের কর্মকান্ড ও চেষ্টাকে আমার সালাম।

এই RER ছাড়াও আছেন কিছু নিবেদিত প্রান ম্যাপার যারা নিজের খেয়ে পড়ের মহিষ তাড়ানোর মত অক্লান্ত খেটে আমাদের দেশের ম্যাপটাকে অনেকটা অংশে গুছিয়ে এনেছেন। এখন চলছে একে একে নতু স্থান এ্যাড করে ফিনিশিং এর কাজ। তাদের সকলের রাত দিনের এই পরিশ্রমের কল্যানেই আমরা অনেক দ্রুততার সাথে অর্জন করেছি গুগোল লোকাল স্ট্রিট ভিউ। আমরা এখন ঘরে বসেই কয়েক জেলার খুটি নাটি সকল রাস্তা ঘুরে আসতে পারি। এ অর্জন কিন্তু কম বড় নয়।

এই অসাধারন অর্জন গুলোর নাঝে কিছু অভ্যন্তরিন গলদ রয়ে গেছে। কিছু ম্যাপার অনেকটা অতি আগ্রহের বলেই শুধু ঘরে বসে আন্দাজের ভিত্তিতে নতুন জায়গা ও স্থাপনা এ্যাড করে ফেলে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই তারা শুধু নাম ব্যাতীত কোন তথ্য দেয় না। নামের শুদ্ধতার দিকে নজর দেয় না। এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন হবার প্রয়োজন রয়েছে। নিজের এলাকার অথবা যে জায়গাটা সম্পর্কে নিজের সঠিক তথ্য সহ ধারনা রয়েছে সেই ম্যাপিংটা করে নেওয়াই উচিত। রেকি না করে আন্দাজ কে বিশ্বাস করে ম্যাপিং করলে আসলেই ঢাকার রাজধানী ব্যাংকক হয়ে যাবে।

আমি দেখেছি ময়মনসিংহ শহরে ইনটেন্স নামের দোকান খোলার পর কে যেনো তা ইনফিনিটী ম্যাগা মল এর নাম দিয়ে ওই বিল্ডিং এ এ্যাড করে দিয়েছে। ইনফিনিটি ময়মনসিংহে আসার কথা ঠিকই কিন্তু তা সে নির্দিশিত স্থানের থেকে অনেক দূরে। আর ব্যাপারটা ঘটেছে যে ব্যাক্তি ম্যাপিংটি করেছে তার অজ্ঞানতার কারনে। সে কোন রকম যাচাই ছাড়াই শোনা কথায় এ্যাড করে ফেলেছে কাছাকাছি নাম দেখেই। অবশ্যই এ ক্ষত্রে আরো সচেতন হবার দরকার আছে। গুগোল ম্যাপ আমাদের ডিজিটাল ট্রাফিক সিস্টেম। আমাদের পর্যটক ও লোকাল মানুষ উভয়ের জণ্য খুব দরকারি জিনিস। আমি যদি রাতারগুলের ঠিকান খুজে কানারগুল চলে যাই সেটা মটেও কাজের কথা হবে না। ব্যাপারটাতে কিচতু যতখানি একজন ম্যাপার এর সচেতনতার অভাব তার সাথে সাথে বাকি যে সকল লোকাল এলাকার ম্যাপার আছেন তাদেরও সচেতনতার অভাব। একজন ভুল এ্যাড করলে বাকি ম্যাপাররা সিটি রিভিউ করার সুযোগ পান। যা তারা রিপোর্ট করেতে পারেন কারন দেখিয়ে এক্সপার্ট রিভিউয়ারদের রিভিউ এর জণ্য।

আমাদের দেশের খুব অল্প সংখ্যক এক্সপার্ট রিভীউয়ার (RER) আছেন । তাদের পক্ষে এখন সব তথ্য পরিপূর্ন ভাবে যাচাই বাচাই করে দেওয়া সম্ভব হয় না। সেই সমস্যা দূর করতে পাকিস্তানের ম্যাপিং প্রবলেমের পর আবার যখন বাংলাদেশ সহ কয়েক দেশে ম্যাপিং চালু হয় তখন গুগোল প্রায় ২৪ জন রিজিওনাল লিড নির্বাচন করেছেন রিভিউ করার জন্য। ব্যাপারটা অবশ্যই ভালো। হেল্পিং হ্যান্ড বাড়লে ব্যাপারটা খারাপ না। কিন্তু এ সকল রিজিওনাল লীড (RL) এর নির্বাচন প্রকৃয়াটা আমার কাছে অনেকটাই ধোয়াটে লেগেছে। গুগোল মনে হলো শুধু কার কতবেশী ম্যাপিং এ্যাড করা আছে ও এ্যাডিট আছে তার ভিত্তিতেই সম্ভবত সিলেক্ট করেছেন RL দের। আসকল RL এর মাঝে অনেক ভালো ভালো ম্যাপার আছে যারা আসলেই অনেক হেল্পফুল ও তাদের কাজে পারদর্শী। তাদের ম্যাপিং গুলো আসলেই অনেক গুছানো ও তাদের রিভিউ অনেক হেল্পফুল। কিন্তু এর মাঝে কিছু সংখ্যক RL এর পারদর্শিতার উপর মাঝে মাঝেই সন্দেহ জাগে। সন্দেহ জাগে গুগোল মনে হয় বিবেচনা করে দেখেনি সে সকল RL দের হাজার হাজার ম্যাপিং এর মাঝে কত গুলো আদ্য সঠিক। নাকি আগের খালি মাঠের গোলের সুযোগে ঊঠে এসেছে। এমনটা বলার কারন অবশ্যই আছে।

আমার একজন বন্ধু আছেন যিনি তার এলাকায় প্রতিটি ম্যাপিং হিসেব করে করে করেন। কোন প্রতিষ্ঠান এ্যাড করার আগে জিপিএস কোডিং দেখে নেয়। ম্যাপের স্যাটালাইট ভিউতে পরিষ্কার ভাবে বিল্ডিং এর অবস্থান না দেখলে সে এ্যাড করে না। প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন এ্যাড করে দেয়। তার বাড়ির সামনের মযাপিং নিয়ে যখন তাকে RL রা প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলে বার বার আটকে দেয় কিন্তু রাস্তার উপর যখন ভুল ম্যাপিং দাড়া করিয়ে দেয় ও সেটা তারা নির্ধিধায় রিভিউ করে সিলেক্ট করে ফেলে। এমন অবস্থা দেখে তাদের স্থানিয় রিভিয় লিড হওয়া নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে। তাদের একটি গুগলের থেকে পরিপূর্ন গ্রুমিং দরকার সরাসরি ফিল্ড ট্রেনিং এর মাধ্যমে।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমি মনে করি রিজিঊনাল লিড সকলের আরো সচেতন হবার দরকার আছে। প্রথমেই নেতিবাচক কমেন্ট দিয়ে আটকে দেওয়ার থেকে একটু সরোজমিন করে দেখে নেওয়া। আর এলাকা সম্পর্কে ধারনা না থাকলে সেটা নিয়ে না বুঝে সন্দেহ প্রকাশ যেমন উচিত নয় তেমনি না যেনে এ্যাড করে নেওয়াও উচিত নয়, রিভিউ দেওয়ার আগে একটু ঘেটে দেখে নিয়েন। 

আমার স্বল্প জ্ঞানের পেচালের জন্য আমি দুঃখিত। আশা রাখি যারা এ নিয়ে কাজ করছেন তারা বিস্তারিত আরো লিখে সকলকে এ নিয়ে আরো সচেতন করে তুলতে পারবেন। যানি না লেখার কারনে আমার ম্যাপিং এর যে এক আধটা পূর্ব ইতিহাস আছে তাই শেষ ম্যাপিং হয়ে দাঁড়ায় কিনা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Google Local Guides in BANGLADESH: The Drama - বাংলাদেশ গুগোল লোকাল গাইডস ও প্রয়োগ অসম্পূর্নতা




বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ নাকি উন্নয়নশীল দেশ তা নিয়ে কথা বলার মত ঘিলু এখনো আমার মাথায় উতপাদিত হয়নি তবে টেকনিকাল সেক্টরের দিক থেকে অবশ্যই আমাদের দেশ ক্রম উন্নয়নশীল ও উজ্জ্বল ভবিৎষত সম্পূর্ন একটি দেশ। আমাদের দেশে কিছু আর্ন্তজাতিক মানের ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান আছে যারা টেকনিকাল নানা সাইড নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ফ্রি ল্যান্সিং থেকে শুরু করে আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশিদারিত্বের মাধ্যমে টেকনোলজি, গ্রফিক্স,সফটোয়্যার, হার্ডোয়ার, ডেভোলোপিং সহ নানা সেক্টরে নানা রকম প্রতিষ্ঠান গড়ে ঊঠতে দেখছি প্রতি মূহূর্তে। যারা প্রফেশনালি কাজ করে যাচ্ছে তারা তাদের উৎপাদনের চাহিদা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কোয়ালিটির দিকে আঙ্গুল তুলে দেখানোর মত যোগ্যতা আমার নেই। কিন্তু চোখের সামনে নানা সময়ে নানা রকম টেকনিক্যাল ইরোর খুজে পাচ্ছি যখন আমি কোন রকম টেকনিকাল ভলেন্টিয়ারিং ডেভোলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করতে যাচ্ছি। আজ তেমন একটি সেক্টর নিয়ে কথা বলবো যা বাংলাদেশেকে টেকনোলজিকালি সাউন্ড হিসেবে গড়ে তুলে সাহায্য করছে ও করবে।



গুগোল লোকাল গাইড (Google Local Guides)


 সবাই জানে গুগোল একটি ফ্রি সেবার মাধ্যম যা তার অনেকগুলো সেবার উন্নয় ঘটিয়ে থাকে তার ভলেন্টিয়ার ডেভলোপারদের মাধ্যমে। লোকাল গাইড তেমনি একটি পরিসেবা। ১১ তম দেশ হিসেবে গুগোল লোকাল গাইড এর পদার্পন হয়েছিলো আমাদের দেশে (তথ্য মতে)। এটি মূলত পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিলো গুগোল ম্যাপস ও প্লাস এর অংশ হিসেবে। যার লক্ষ পর্যটকদের তাদের গন্তব্যের সম্পর্কে ধারনা দেওয়া। কোন পথে কোথায় গিয়ে কি টাইপ সেবা আপনি পেতে পারেন তার ধারনা আপনি পাবেন এই সেবা থেকে। গুগোল লোকাল গাইড সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত লিখবো এক সময়। এখন দেখা যাক এই প্রকল্পে বাংলাদেশের ডেভোলপারদের অবস্থান

আমাদের দেশ তার কর্মঠ সন্তানদের কল্যানে এমন টাইপের নানামুখি ভলেন্টিয়ারিং সার্ভিসের দিক থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। আমাদের দেশের ম্যাপ ম্যাকারদের ও লোকাল গাইডদের কল্যানে ভারতের মত টেকনিকালি সাউণ্ড দেশের আগে আমাদের দেশের কয়েক শহরে গুগোল স্ট্রিট ভিউ এর কাজ সম্পূর্ন হয়ে গেছে ও আরো কাজ চলছে। লোকাল গাইড ও ভালোই কার্যকারি হিসেবে দেখা দিতে পারতো আমাদের দেশের মানুষ ও আমাদের দেশে আসা পর্যটকদের জন্য। কিন্তু পিছিয়ে যাচ্ছে কিছু না বুঝে নিয়ে নেওয়া স্টেপের কারনে।

* গুগোল লোকাল গাইড এর গাইডিং এর জন্য বেছে নেওয়া যায় শুধু মাত্র গুগোল ম্যাপস এ এ্যাড করা স্থান এর। এ্যাদ করার পরবর্তীতে সেই নামে গুগোল প্লাসে একটি প্লেস এর আইডি ওপেন হয় যাতে লোকাল গাইডরা প্লেসের সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা ও প্লেসের বর্ননা দিয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই নানা দরকারি যায়গা ম্যাপস এ যোগ করা বাদ পরে যায় ম্যাপার্স দের না যানা বা স্থানের সম্পর্কে ধারনা না থাকার কারনে। তাই সে ক্ষেত্রে দক্ষ ম্যাপার্স দরকার।

* আমদের সুদক্ষ ও যেনে কাজ করতে নামা লোকাল গাইড এর থেকে না বুঝে শুধু আগ্রহ বলে চোখের সামনে চলে আসা সাইট টির কোন রকম বর্ননা দিয়ে দেয় যা কাজে আসেনা কারোই।

* ভাষার ব্যাবহার সম্পর্কে আমাদের অনেক লোকাল গাইডই অনেকটা উদাশীন।  বাংলা লিখবো নাকি ইংরেজী লিখবো অথবা কি লিখবো তা নিয়েই  টেনশনে ভুগে তারা মাঝে মাঝেই শুধু স্টার দিয়ে চলে যায়। স্টার দিয়ে চলে যাওয়া টা সব ক্ষেত্রে কিন্তু কোন কাজেই আসে না। যে জায়গাটা সম্পর্কে তেমন কোন স্পেশালিটি খুজে পাননি সেটাতে স্টার দিয়ে নাহয় চলে যেতে পারেন কিন্তু ভালো বা খারাপ লাগার ক্ষেত্রে তা অবশ্যই লিখে প্রকাশ করে যাওয়া ভালো। অবশ্যই সব থেকে ভালো লেখার ঊপায় হচ্ছে বাংলা ও ইংরেজী ঊভয় ভাষায় ই কিছু বররনা দিয়ে যাওয়া। নতুবা শুধু ইংরেজীতে দেওয়াটাও চলে কিন্তু একদম শুধু মাত্র বাংলাটুকু এড়িয়ে চলাই বেটার। কারন যেহেতু এটা মুলোত পর্যটকদের জন্য সো বেশীর ভাগ পর্যটক আমাদের বাংলা ভাষার সাথে পরিচিত নয়। ইংরেজী টুকু থেকে জেনে তারা অন্তত তাদের ডিসিশান নিতে পারেবে জায়গাটা সম্পর্কে। আর আমরা যারা বাংলাদেশে লোকাল গাইড ব্যাবহার করি তারা অন্তত একটু  ইংরেজী জানি বলেই তো মনে হয়।

* লোকাল গাইড মূলত নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখার নিয়ম। কিন্তু কিছু গাইডকে দেখি গনহারে বুঝে না বুঝে গাইডিং করে। দেখেই মনে হয় বানানো মন গড়া কি না কি লিখতেছে। কেউ কেউ দেখি কপি পেষ্টের উপর আছে। এমন কি বাংলাদেশের প্রথমদিকের এ্যক্টিভ সদস্যদের মাঝেও কাউকে কাউকে দেখি একি কাজ করতে। যা অবশ্যই একটি বাজে অভিজ্ঞতা আমার চোখে।

* লোকাল গাইডের অন্যতম একটি উল্ল্যেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে আপনার অভিজ্ঞতাকে সাথে সাথে চেক ইন সহ লিখে ফটো আপ্লোড করা লোকাল গাইডিং পেজ এ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের লোকাল গাইড দের অংশগ্রহন কম। যারা ছবি দেয় তাদের ছবির কোয়ালিটিও খুব খারাপ যা বাইরের দেশের লোকাল গাইড ও পর্যোটকদের সামনে সামনে একটি অনাকর্ষনীও করে তুলে ও আগ্রহি কমিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশের ফোটোগ্রাফার ভাই ব্রাদাররা মাঠে নাম্লে ও লোকাল গাইডিং করলে অনেক উপকার হতো।

* গুগোল লোকাল গাইডের নিজেস্ব একটি গুগোল প্লাস এর সিক্রেট কমিউনিটি আছে যা এক মাত্র লোকাল গাইডের লেভেল ৩ পার করা গাইডদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশের লোকাল গাইড এর লেভেল ৩ এর খুব কম বাংলাদেশী গাইড আছে। যারা আছে তাদের অনেকের মান নিন্ম পর্যায়ের। তারা সেই কমিঊনিটিতে অন্য অনেক দেশের গাইডদের মত গুছিয়ে পোস্ট করতে পারে না স্থানীয় নানা জায়গার বর্ননা দিয়ে। আবার মাঝে মাঝেই তারা অবান্তর তর্কেও জড়িয়ে যেতে দেখেছি। আমি নিজেও এই কমিঊনিটির একজন সদস্য, এবং আমার মান ও খুব একটা জাতের না। কিন্তু আমার মতো নাদান ও যখন দেখে আমাদের দেশের কিছু প্রতিনিধি হাওয়ার তলোয়ার চালানোর মত তর্ক করে বা কি বলতেছে তা শুধু নিজেই বুঝবে টাইপ বর্ননা দিচ্ছে তখন আসলে আমারো তা ভালো লাগার কথা না। সেই মানুষ গুলোর মাঝে যখন এমন কাউকে দেখি যে অনেকটাই বলা চলে আমাদের লোকাল গাইড কে রিপ্রেজেন্ট করছে (কারন সে প্রথম থেকে এর সাথে কাজ করে যাচ্ছে) তখন আসলে নিজেদের কাজ করার ইচ্ছেও চলে যায়।

* লিডারদের কোয়ালিটি ভালো না থাকলে পুরো দলকেই সাফার করতে হয়। এমনটা আমাদের ছোট ছোট লোকাল গাইড কমিউনিটি গুলোর মাঝে দেখা মেলে। কয়েকদিন আগেই দেখলাম একজন লোকাল গাইড মডারেটোর যে কিনা আবার ম্যাপস ম্যকিং এর লিড হিসেবেও কাজ করে একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক গ্রুপের সে কিনা লোকাল গাইড কমিউনিটিতে পোস্ট দিয়েছেন তার করা একি প্রিতিষ্ঠানের নানা শাখায় লোকাল গাইড কমেন্ট কপি পেসট হওয়ায় গুগোল তার কমেন্ট রেস্ট্রিক্টেড করে দিয়েছে। সে তার সমাধান চেয়েছে গ্লোবাল লোকাল গাইডদের কাছে। তার দাবি বেশীর ভাগ শাখাকে ম্যাপে সেই এ্যাড দিয়েছে ও সব শাখায় প্রডাক্ট একি কারখানা থেকে যায় তাই সব গুলো গাইডিং এক হলে সমস্যা নেই। এই দাবি সে বার বার কমেন্টের মাধ্যমে করে যাচ্ছে তার পোস্টে। যদিও আমার তার কথা বুঝে উঠতে সমস্যা হয়েছে তার লেখার সহজলোভ্যোতার অভাবে, তবু দেখলাম নানা যায়গা থেকে অনেক গ্লোবাল লোকাল গাইডরা তাকে কমেন্টে বারবার বলে যাচ্ছে লকাল গাইড হচ্ছে নিজের সে জায়গার সম্পর্কে অভিজ্ঞতা, জায়গার বর্ননা, তাদের রেস্পন্স ও কোয়ালিট সম্পর্কে লেখার যায়গা। কপি পেস্ট করে লিখে দিলেই তা লোকাল গাইডিং হয় না। একি কম্পানির সব শাখার অভিজ্ঞতা সবার কাছে এক নয়। কিন্তু আমাদের লোকাল গাইডের বাংলাদেশের একজন গন্যমান্য প্রতিনিধি যিনি কিনা নানা শহরে লোকাল গাইডিং এর উপর নানা মিট আপ ও ওয়ার্কশপ আয়োজন করে আসছে তিনি বার বার একি কথা আওড়ে যাচ্ছেন যে প্রোডাক্ট তো একি কম্পানীর তবে সমস্য কোথায়।

এমন ই যদি হয় বাকি বিশ্বের কাছে আমাদের লোকাল গাইডদের উপস্থাপন তাহলে আমাদের দেশে এসে কোন পর্যটক গুগোল লোকাল গাইডে হেল্প নেওয়ার বদলে রিকশা ওলার হেল্পের ঊপরি বেশী নির্ভর করবে।  আমদের দেশে যে ভালো কাজ করে যাচ্ছেন এমন লোকাল গাইড ও দলনেতা যে নেই তাও কিন্তু নয়। আমি পার্সনালী এমন কয়েকজঙ্কে দেখেছি যারা প্রচন্ড চেষ্টা করে যাচ্ছেন ম্যাপস ও লোকাল গাইড এর উন্নয়নের জন্য।

আমাদের উচিত আর দক্ষ লোকাল গাইড তৌরী করার মাধ্যমে এই সার্ভিসটিকে আমাদের মাঝে আরো জনপ্রিয় করে তোলা। তাহলে আমাদের দেশ পর্যটকদের জন্য অনেক সহজ হয়ে ঊঠবে। তারা খুজে দেখে নিতে পারবে তাদের পরবর্তী গন্তব্য। পর্যায়ক্রমে গুগোলের সার্ভিসটির যেমন উন্নয়ন ঘটবে তেমনি উন্নয়ন ঘটবে আমাদের পর্যটন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের। আসুন আরো সচেতন হই।