সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Happy Birthday to Me & Myself

আমার মোবাইল গুলোতে সরকারের পাঠানো "Gov Info" ম্যাসেজের মতে আজ ২১ সেপ্টেম্বর, আয়কর মেলার ৬ষ্ঠ দিন। কিন্তু আপাতত আমার মোবাইলে বাকি সবার পাঠানো ম্যাসেজ মতে আজ জনাব মৃধা শিহাব মাহমুদের নাকি শুভ জন্মদিন।

নিজের জন্মদিন উপভোগের থেকে আনন্দের কি আর হতে পারে!! বছরের ১টা দিনকে নিজের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলতে পারার মত ক্ষমতা জন্ম নেয় এই দিনে। ২১ সেপ্টেম্বর দিনটাও কিছুটা তাই কিনা রেখে দিছি নিজের জন্য। থাকুক পড়ে বাকি দিন গুলো, এই দিন টুকু শুধু আমার, আমার সকল শুভানুধায়িদের।

ফেসবুকের কল্যানে প্রতি বছর ভাই, বইন, বন্ধু, শত্রু বহু মানুষের শুভেচ্ছা (ও বাকি সব কিছু) পেয়ে আসাটা অনেকটাই সহজ হয়ে উঠেছে। এবারের জন্মদিনের থেকে ফেসবুকের রিমাইন্ডার অফ করে দেওয়ার পর থেকে মনে ভাসতেছিলো এবার থেকে মনে হয় আমার জন্মদিনের লোনলি সময় কাটানোর সময় হয়েই গেলো। আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেচারা ২১শে সেপ্টেম্বর ও বার্ধক্যের পিড়া পেতে শুরুই করে দিলো। কিন্তু কিছু বিচ্ছু পোলা মাইয়া ও বন্ধু বান্ধবের কারনে বেচারা ২১ আজো জ্বরা গ্রস্থ হয়ে ঊঠতে পারেনি। আর যারা আমার নিজের একমাত্র দিনটিকে আমার জন্য আরো স্পেশাল করে তুলতে পারে তাদের ধন্যবাদ দেবার ব্যাপারেও আমি কৃপন নই।

আমার পরিবারকে ধন্যাবাদ দিয়ে সময় নষ্টের কিছু নাই। আমার মা আমাকে জন্মদিয়ে আমাকে ধন্য করেছে, তার কোলে আমি জন্মে তাকে ধন্য করেছি ( এ আর এমন কি )। বাকি সবাই খুবি টেনশনে আছে কখন কার কছে কি গিফট চাইয়া বসি।

ধন্যবাদ আমার তিনিকে। যে প্রতিবারের মত এবারো জোর করে আমাকে না উইশ না করে বসে আছে। তুমি সারা জীবন পাশে থেকে এভাবেই উইশ না করে বসে থাকো এই দোয়াই রইলো বেইবি। তোমার সাথের লুকোচুরি খুনশুটিই তো আমার জন্মদিনের সব থেকে বড় গিফট।

আমাকে দ্রুততম উইশ করে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন জনাবা শাগুফতা। জন্মদিন এর রিমাইন্ডার অফ করার দিন ২৮ আগস্ট তারিখে তার দেওয়া কথা সে রেখেছে। যথা সময়ে তার টেক্সট পাবার ব্যাপারে আমার যে পূর্ন বিশ্বাস আছে তা প্রমান করার জন্য তাকে ধইন্নাপাতাবাদ।

অতঃপর আমার Mymensingh Film & Photography Society এর সকল সদস্যকে মেহজাবিনের এতোগুলো থ্যাংকু। তারা কিংভুত কিমাকার কিঊট টাইপ পোস্ট দিয়ে আমাকে চমকে দিয়েছে ও তা সারা দুনিয়ায় রাস্ট্র করে ফেলেছে। তোমরা এত কিউট কেন গো। একদম আলু ভাজি। ধন্যবাদ ইনা, দীপ্র, তপু ভাইরানা ভাই, নাসরিন ভাবি,  ইমাদ, প্রিতি, সাখি, হুমাইরা, শুটার তপু ভাই, পাপ্পু ভাই, মারিয়া, রিয়ন,অয়ন, জিহাদ, ফয়সাল, লোপা ও বাকি সকলকে। অনেক ধন্যবাদ।


MFPS এর যাত্রার শুরু থেকে তার এই এগিয়ে যাওয়ার পিছনে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলেছেন তিনি ...
Posted by Mymensingh Film &  Photography  Society on Sunday, 20 September 2015


আমার সকল বন্ধু বর্গকে অনেক ধন্যবাদ। তারা আমাকে সব দিক থেকে যাইতা ধইরা রাখছে দেইখাই এখনো মৃধা শিহাব বলে কেউ আছে।

উল্লাস আমার গুন্ডামির সকল গোপন খবর প্রকাশ করে দিয়ে আমাকেও  বিব্রতের সাগরে ভালোবাসার জাতাকলে ডুবাইয়া দিছে।


আমার সবচেয়ে ঘৃণিত ;) বন্ধু Mridha Shihab Mahmud এর জন্মদিন আজকে।তাকে  কীভাবে শুভেচ্ছা জানাবো জানি না কিন্তু কিছু স্মৃতি ...
Posted by Rafiuzzaman Ullash on Sunday, 20 September 2015


বন্ধু বার্গার সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে আমাকে সচেতন হবার উপদেশ দিয়ে ভিডিও প্রেরন করে আমার তৃতীয় নয়ন খুলে দিয়েছে।  তোর দেখানো পথে কোন একদিন আমিও বিখ্যাত কামলা হবার আশা রাখি।



রিশাদ নিতুরারা  যাত্রাপথের মধ্যখানে আমায় উতসর্গ করে স্ট্যাটাস দিয়ে জ্বার্নির ক্লান্তি ঘারে চাপিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ বন্ধু শিব্বিরনিম্মি সকাল সকাল সাংসারিক উইশের জন্য। ধন্যবাদ অর্নব, অংকুর, বিকাশ, নবাব সিফাত সহ বাকি সকল বন্ধুদের যারা আমার জীবনকে গড়ে তুলেছে The Ellen DeGeneres Show এর মত বিনোদন হিসেবে।

আমার অফিশিয়াল পরিবার SAFE কে ও অনেক ধন্যবাদ। গত বছর এক সাথে সাভারে আমরা ভূড়িভোজ করেছিলাম, এবছর ঈদ ও যাতায়াত এর নানা গেঞ্জামে হয়তো হয়ে ঊঠলো না। তবু অনেক ধন্যবাদ আপনাদেরকে সব সময় আগলে রাখার জন্য। ধন্যবাদ মশিউর ভাই, শাওন ভাই, মাহি ভাই, নূর ভাই, রজি আপা।

আমি খুবি দুঃখিত আমার এ বছরের এই ডিজিটাল পদক্ষেপের জন্য, যার কারনে হয়তো অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমাকে তাদের ভালোবাসায় সিক্ত করতে পারলেন না। তাদের জন্যও অনেক ভালোবাস ও ধন্যবাদ। এবারের বছর সব থেকে মিস করবো কার্টুনিস্ট কাউসার মাহমুদের ভাইয়ের পাঠানো কার্টুন উইশ।

সাথে সাথে ধন্যবাদ গুগোলকে...জন্মদিন উপলক্ষে এতগুলো মাফিন আর কেকের ফটো পাঠানোর জণ্য।

আমি নতুন বছর টা শুরু করলাম Detox Diet শুরু করে। আশা রাখি তিতা খাওয়াটা এবছর কাজে লাগবে, কিন্তু জীবনটা তিতা হবে না। সর্বাপরি পরিশেষে সকলকে আয়কর মেলার ৬ষ্ঠ দিনের শুভেচ্ছা। বেশী বেশী আয়কর দিন, নাইলে পোলাপাইনের শিক্ষার উপর ভ্যাট লাগাইয়া দিবে আবার।

দ্বিতীয় পর্যায়ঃ

সকালে অর্ধেক জন্মদিনের গল্প বলে শেষ করে বাকি অর্ধেক যা হয় হবে বলে উদাশ সময় কাটানোর মাঝে হঠাত ইচ্ছের কারনে সাভার থেকে আযমকে ধরে পল্লি বিদ্যুতের উদ্দেশ্য বের হয়েছিলাম স্পেশাল বার্গার খাবার জন্য। #MFPS এর তপু ভাই সাভার থাকার দরুন ভাবলাম এক সাথে সময়টুকু নাহয় #MFPS এর কথা ভাবতে ভাবতে কাটাই।

যেই কথা যেই কাজ। অতঃপর তপু ভাই আমার আগেই বিশাল এক কেক নিয়া পল্লি বিদ্যুত হাজির। আমি খুশি মনে পেটে তবলা বাজানোর শুরু করে নাজমুল ভাই, শফিকুল ভাই ও রাকিবকে তাড়া দিচ্ছিলাম জলদি এসে হাজির হতে। এক সাথে বার্গার খামু। কিছুক্ষন পর দেখি রাকিব ও শফিকুল ভাই হেলতে দুলতে আর একটা কেক নিয়া হাজির। নাই কেক থেকে মাথায় দুই দুইটা কেক ভাইংগা পড়ার মত অবস্থা।


কেকের বোঝা বইতে বইতে হ্যাংআউটে কল আস্লো সুদূর ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে। কল রিসিভ করে দেখি সেখানে
#MFPS পরিবারের সকলের গালেই ইয়া লম্বা লম্বা কালারফুল গোফ গজিয়ে গেছে। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই সযত্নে গোফে তা দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের অগনিত ভালোবাসার মাঝে আমি এমন ইমো খাইলাম যে মন ভাবলো একটু কাইন্দা নিতে পারলে আরাম হতো। কিন্তু পাশে থাকা সকলের সামনে ইজ্জত রক্ষার চোখের পানি চোখেই বাষ্পিভূত করে ফেল্লমা। তারা আমাকে ভিডিও কনফারেন্সে নানা রকন ট্রিটের হুমকি ধামকি দিয়ে পুরো কেক সাভার করে ফেল্লো ময়মনসিংহে বসে আর আমি সাভারে বসে তপু ভাইকে নিয়ে তা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম।
আমরাও কি বসে থাকার মানুষ!! আমার হাতে দুটো কেকের বক্স নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। তাই পাশের চায়ের দোকানে বইসা কেক গুলারে কুপাকুপা কইরা ফেললাম। আমার Detox Diet ভালোই কাজে দিচ্ছিলো হয়তো কিন্তু আবার চকলেট কেক খাইয়া মনে হয় বারোটা বাজিয়ে দিলাম।

সব থেকে পানসে করে কাটানোর জন্য যে জন্মদিনটাকে বেছে নিয়েছিলাম তা হঠাত করেই সব থেকে বেশী রঙ্গীন হয়ে উঠলো আমার জীবনে

ধন্যবাদ সবাইকে...ধন্যবাদ আমার মত একজন আকামের ঢেকিকে বোধ করানোর জন্য যে আমার আশে পাশে আমাকে ঘিরে কতোগুলো হাত আমার শক্তি হয়ে আছে। আমি অনেক বেশীই শুখি মানুষ। হ্যাপী বার্থডে টু মি......

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Mymensingh Co-Operative Town Bank Ltd


ময়মনসিংহ কো-অপারেটিভ টাউন ব্যাংক লিমিটেড
। নামটা অনেকের কাছেই অনেক বেশী অপরিচিতো লাগার কথা। তবে ময়মনসিংহের কাচারী রোড দিয়ে চলার পথে পথিক সম্প্রদায়ের আমরা হয়তো কেউ কেউ অবচেতন মনে কেউবা হয়তো চেতন মনে এই ব্যাংকটির প্রাচীন জ্বরাগ্রস্থ ভবনটি হয়তো খেয়াল করে থাকতাই পারি। ময়মনসিংহ কাচারী রোডের ধারে শশী লজের, ডিসি অফিস ও পৌরসভার রাস্তার মোড়ে খেয়ালের অগচরে পড়ে থাকা এই ব্যাংকটি শহরের সব থেকে প্রাচীন ব্যাংক। সেই ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠীত এই সমবায় ব্যাংকটি এখনো সমবায় (তথ্য মতে সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয় ও হতে পারে) মন্ত্রনালয়ের অধিনে কার্যকারি ভূমিকায় আছে। ময়মনসিংহ কো-অপারেটিভ টাউন ব্যাংক লিমিটেড বৃটিশ রানী থেকে পাকিস্তানি জিন্না নোট, তা থেকে বাংলাদেশের শাপলার ঘ্রান ও বঙ্গবধুর ছায়া কত কিছুর বিনিময় ও সংরক্ষন দেখে ফেল্লো এত গুলোবছর ধরে, তবু এর ইতিহাস জানতে কোন রকম ডিজিটাল তথ্যের পর্যাপ্ত সংরক্ষন করার কেউ নেউ

আমাদের নজরের অগচরেই থেকে যাচ্ছে কত শত ইতিহাস। সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য প্রাপ্তির সুযুগের অপ্রতুলতা দূরীকরন ব্যাতীত ইতিহাস সংরক্ষন সম্ভব নয়।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Global Unoffical Local Guides Photowalk Mymensingh


আগামীকাল ১২ সেপ্টেম্বর Global Unoffical Local Guides Photowalk: Bangladesh ইভেন্ট হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নানা শহরে। বাংলাদেশের নানা রকম দর্শনীয় স্থানকে পৃথিবীর সকলের সামনে তুলে ধরার প্রচেষ্টায় এই ইভেন্টের আয়োজন। এর মাঝে আমার ও MFPS এর নেতৃত্বে ময়মনসিংহ শহরেও আয়োজিত হতে যাচ্ছে একটি ফটোওয়াক। মহিলা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (শশী লজ) এর সামনে থেকে শুরু হবে আগামীকাল এই ফটো ওয়াক। যেখানে আমরা শহরের নানা রকম জরুরী ল্যান্ড মার্কের ছবি তুলবো ও তার পর তা আমরা শেয়ার করবো এই আনফিশিয়াল ইভেন্টের অফিশিয়াল গুগুল ইভেন্টে। সাথে সাথে আমরা গুগুল লোকাল গাইডের ময়মনসিংহের কমিউনিটিতেও পোষ্ট করবো।

আমাদের এই ফটোওয়াকে থাকছে Mymensingh Film & Photography Society এর সদস্যরা। এছাড়াও অন্যান্য আগ্রহীদের জন্যও রয়েছে অংশগ্রহনের সুযোগ। ময়মনসিংহে যারা আমাদের সাথে অংশ নিতে চান তারা চলে আসতে পারেন আগামী কাল সকাল ১০ঃ৩০ এ শশী লজের সামনে। অথবা আমাকে আমার নাম্বারে কলও দিতে পারেন।

ইভেন্ট লিঙ্কঃ https://plus.google.com/u/0/events/c76rlkbgrctcc8o6bkqtspq24lo

আমাদের ময়মনসিংহের ইভেন্টে যারা অংশ গ্রহন করবেন তারা অবশ্যই কিছু হ্যাশট্যাগ ব্যাবহার করতে ভুলবেন না।
#localguides  #LocalGuidesMymensingh .

ফটোওয়াকে যারা অংশগ্রহন করতে পারবেন না তাদেরও রয়েছে ডিজিটাল ভাবে অংশগ্রহন করার সুযোগ। ইভেন্টের পেজে যেয়ে আপনার প্রিয় শহরের (ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ইত্যাদি)  সম্পর্কিত ছবি পোস্ট করতে পারেন #localguides হ্যাস ট্যাগ ব্যাবহার করে।

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মুক্তি, মুক্ত, খালাস ও ন্যায় বিচার


 "Immunity" শব্দের অনুভূতি একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। নিরাপরাধ হোক বা অপরাধী চোখই হোক সে খুজে ফিরে মুক্তির আনন্দ। আর একজন ভুক্তভুগি খালি খুজে এক টুকরো ন্যায় বিচার লেখা সাদা পাতা। সেই সাদা পাতাইয় লেখা তাদের ভার মুক্তির গল্প।

" তাজরিন গার্মেন্টেস" এর ৩ বছর চলছে। ২৪ নভেম্বর ২০১২ এর এক শীত শীত দিনে আশুলিয়া অঞ্চল হঠাৎ উষ্ণ হয়ে ঊঠেছিলো "তাজরিন" এর ভয়াল অগ্নী শিখায়। সেই আগুনে ১১২ জন কর্মচঞ্চল হাত নিমিষে থমকে গেছে, লেগেছিলো বেওয়ারিশ লাশের মিছিল। আমরা সাধারন মানুষরা সে দিন হতবাক হয়ে চেয়েছিলাম সাভারের আশুলিয়ার আকাশের কালো ধোয়ার মাঝে মৃত্যুর হুংকার শুনে। 

নানা দিক-বেদিক অবলকনের পর অবশেষে তাজরিন গার্মেন্টস এর অগ্নিকান্ডে অভিযুক্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধা আনুষ্ঠানিক ভাবে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর অবশেষে তাজরিনের দুই মালিক দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। কিন্তু ন্যায়ের পথে কি এটি পরিপূর্ন পদক্ষেপ?

দোষ কিন্তু সে সকল সরকারি ইন্সপেটারদেরো কম নয় যারা নিয়মিত ইন্সপেকশনের মাধ্যমে নিশ্চিত করেনি একটি নিরাপরাধ কর্মপরিবেশের। হয়তোবা তারা নিরাপত্তার অভাব দেখেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। সে সকল পরিদর্শকেরও কিন্তু দায় এড়িয়ে যাবার কোন উপায় থাকা উচিত না। তারা সঠিক সচেতনতা দেখালে আমাদের দেশে স্পেক্ট্রাম গার্মেন্টস থেকে শুরু করে আশুলিয়ার তাজরিন ফ্যাশন বা সাভারের রানা প্লাজা অথবা দেশের নানা প্রান্তে ঘটে যাওয়া অসংখ্য দুঃর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হতো না। তাদের দায়িত্ব নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা ও বাংলাদেশের স্বর্ন সম্পদ গার্মেন্টস শিল্প ও এর সাথে জড়িত দের জীবনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা। যেহেতু তাদের অনেকি এই কাজটি এড়িয়ে যান তাই অবশ্যই তাজরিনের সাথে জড়িত পরিদর্শকদেরও কিছুটা দায় ভার গ্রহন করে শাস্তির মুখোমুখি হবার দরকার ছিলো।

এ নিয়ে আজ অনেকেই সোচ্চার। মানব অধিকার ও NGO দের নিয়ে কাজকরা সংঘটন FIDH এর প্রেসিডেন্ট কারিম লাহদিজ এ নিয়ে বলেছেন,

“Giving immunity to government officials who ignore safety violations reinforces the culture of impunity in Bangladesh, and allows the continuation of the flagrant abuses that permeate Bangladesh’s garment industry,”

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংঘটন SAFE এর সাথে জড়িত। কাজের স্বার্থে বহু শ্রমিক এবং গার্মেন্টস রিলেটেড ব্যাক্তির এর সাথে কাজ করা হয়েছ।  এছাড়া ২০১২ সালে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্রত অবস্থায়ও আমি তাজরিনের দুঃর্ঘটনার পরে আমাদের দেওয়ান মিজান স্যার এর সাথে মিলে এর প্রতিবাদে ২০১২ এর ১৬ ডিসেম্বরে একটি প্রতিবাদি আর্টফর্ম উপস্থিত করেছিলাম শাহাবাগ এর জাতীয় যাদুঘরের সামনে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে শুরু করে, দেশী বিদেশী সকলে মিলে অংশ নিয়েছিলো এই প্রতিবাদে। সবখানেই সকলের শুধু একটিই চাওয়া ছিলো। শ্রমিক এর জীবনের জন্য ন্যায্য নিরাপত্তা ও কর্মপরিবশের নিশ্চয়তা।এখনো আমাদের সেটাই চাওয়া শ্রমিকদের মৃত্যু থেকে মুক্তি ও ন্যায় বিচার।

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Gurdwara's in Bangladesh


আমাদের বাংলাদেশের শিখ সম্প্রদায় ও গুরুদোয়ারাঃ



আমাদের বাংলাদেশে আমার জানা তথ্য মতে এখন পর্যন্ত ইসলাম ধর্মানুসারী জনগনের সংখ্যা ৮৯.৭% ...সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বি ৯.২% । এছাড়া ০.৭% বুদ্ধ ধর্মানুসারী ও ০.৩% খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বি ও ০.১% অন্যান্য ধর্মনুসারী আছেন। আমাদের ঢাকা শহর পরিচিত মসজিদের নগরী এর অবস্থান গত প্রাচুর্যতার কারনে। এছাড়াও সারা দেশ ব্যাপী নতুন,পুরাতন বা ঐতিহাসিক মর্যাদা সম্পূর্ন অনেক মসজিদ মন্দির বা চার্চ। কিন্তু আমরা কয়জনে জানি যে এদেশে কিছু সংখ্যক শিখ ধর্মাবলম্বি ব্যাক্তির বসবাস ও তাদের গুরুদোয়ারা নানক শাহ মন্দির আছে। হয়তোবা অনেকেরই কিছুটা জানা থাকার কথা কারন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিলক্ষেত এর রাস্তায় চলার পথে অনেকেই আমরা রাস্তার ধারে গুরুদোয়ারার গেট দেখেছি। তাই এর অস্তিত্বের কথা আমাএর কিছুটা জানা থাকার কথাই।

পূর্বে এদেশ ভাগ হবার পূর্বে শিখদের আসা যাওয়া ছিলো বাংলাদেশের ঢাকা সহহ চট্টগ্রাম অঞ্চল গুলোতে। এছাড়া মোঘোল আমলেও শিখ সৈনিকের কাজের জন্য এদকে আশাযাওয়া ছিলো। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে খুবি কম সংখ্যক শিখ সম্প্রদয়ের পবিবার অবস্থান করেন। গুটি দশেক পরিবার ঢাকায় বসবাস করেন মূলত ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের। ১৯৭২ সালের পর থেকে ভারত সরকার নিয়মিত ঢাকা ইন্ডিয়ান হাই কমিশনে ৩ জন করে শিখ কর্মকর্তা প্রেরন করে আসছে। এছাড়াও নানা রকম NGO এর চাকরিরত থাকার কারনে অনেক শিখ বাংলাদেশে আসা যাওয়ার মাঝে থাকে। মূলত তাদের যাতায়তই বর্তমানে এখানকার গুরুদোয়ারা গুলোতে।

১৫০৬-১৫০৭ এর দিকে গুরু নানক এর ভ্রমনের স্বরনে ঢাকা গুরুদোয়ারা প্রতিষ্ঠিত হয় বলে যানা যায়। ১৮৩০ সালে এই গুরু দোয়ারা প্রথম তৈরী হয় বলে জনশ্রুতি আছে এবং এর নতুন বিল্ডিং ১৯৮৮-১৯৮৯ এর দিকে তৈরী হয়।

তথ্য মতে বাংলাদেশ ৭টি গুরুদোয়ারা আছে।

১। গুরুদোয়ারা নানকশাহী ঢাকা
২। বাংলাবাজার গুরুদোয়ারা
৩। গুরু দোয়ারা সঙ্গততোলা, ঢাকা
৪। গুরুদোয়ারা শ্রি তেগ বাহাদুর, ঢাকা
৫। গুরু নানক শাহী মন্দির, ময়মনসিংহ
৬। পাহারতলী গুরুদোয়ারা, চট্টগ্রাম
৭। শিখ টেম্পেল এস্ট্যেট চট্টগ্রাম

গুরু নানক মন্দির, ময়মনসিংহ
আমার সাথে ময়মনসিংহের সম্পর্ক অনেক পুরোনো কিন্তু আমি অনেক দিন জানতামই না এখানে একটি শিখ সম্প্রদায়ের গুরুদুয়ারা অবস্থিত। কিছু সংখ্যক স্থানীয় শিখ পরিবারের বসবাসও এখানে।  গুরু নানক শাহী মন্দিরটির পরিধি অনেকটা ছোট হলেও এর কার্যক্রম কিন্তু কম নয়। নিয়োমিত  এখানে শিখ সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান আয়োজন হয়ে আসছে। ঢাকা গুরুদোয়ারা ও ইন্ডিয়া থেকে অনুষ্ঠানের সময় এখানে শিখ ধর্মগুরুরা আসেন তাদের সঙ্গিদের নিয়ে। আমার জানা মতে ময়মনসিংহের গুরু নানক শাহী মন্দিরটির "তখত" দেখাশোনার দায়িত্বে যিনি আছেন তিনি গুরু দোয়ারার সামনের একটি জুতার দোকানের মালিক।



ইচ্ছে আছে ময়মনসিংহের নানা ঐতিয্যের সাথে সাথে এখানের অন্তরালে পরে যাওয়া সংস্কৃতির ঐতিয্যকেও তুলে ধরার জন্য কাজে নামবো। আশা রাখি Mymensingh Film & Photography Society এর উদ্দ্যোগে ও আয়োজনে আমরা এই ইচ্ছেটুকু পূরন করতে পারবো।

বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

We are sorry Aylan Kurdi


‘মানবতা ভেসে গেল সাগরতীরে’


সকালের কোন এক মূহূর্তে অন্তর্জালের পৃথিবিতে হঠাত করেই চোখে পরলো ছোট একটি দেহের ছবি। লাল টুকটুকে গেঞ্জি, নীল হাফপ্যান্ট আর ছোট ছোট পায়ে জুতোয় মোড়া। দেখে মনে না হবার কোন কথায় না যে সুখি কোন পরিবারের অবকাশ যাপনের সময় ছোট সোনামনিটি বালুতে কিছু খুজতে যেয়ে ঘুমিয়ে পড়েনি। ঘুমিয়ে পরেছে ঠিকি কিন্তু এ ঘুম আর ভাংবে না। যে ছোট শরীরটিকে তার প্রিয় মা বাবা পরিপাটি করে গুছিয়ে দিয়েছিলো তার বালিতে পড়ে থাকা দেহটি তুলে নিতে সেই বাবা মার দুহাত নসিবে মিলেনি ছোট আইলান কুর্দির।



আইলানের মত আরো হাজারো এমনি শিশু নিজের ও পরিবারের বেঁচে থাকার সংগ্রামে প্রতিদিন মৃত্যুর সাথে লুকোচুর করে বেরাচ্ছে... লাখ লাখ মানুষ বারুদের বাগানে মাথা গুজে আছে। আমি ইউরোপ বা আরব কাউকেই দোষ দিতে চাই না এর জন্য। দোষ আমাদের মানুষত্বের। আমরা মনেহয় অনেক আগেই মানুষ হবার পথ থেকে দূরে সরে এসেছি।

এক আয়লানের নিথর শরীর হয়তো নাড়া দিয়ে বাধ্য করবে আরো কিছু রিফুজির জীবন রক্ষায়, কিন্তু তারপর যখন আবার সবাই আয়লানকে ভুলে যাবে তখন কি হবে?? আমরা কি আবার কোন অবকাশ যাপনের স্বর্গের বালুকাবেলায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবো আবার কোণ আয়লান কুর্দির।

ছোট লাল জামাটা কিন্তু আমাদের অভিমানে সাগরে ভেষে যায়নি। আমাদের চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিয়ে গেছে আমাদের হাতে, চোখে, চিন্তায় কত রক্তের ছাপ।


Mymensingh Film & Photography Society

শিক্ষা নগরী ময়মনসিংহ প্রসিদ্ধ তার শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চার জন্য। নানা বিষয়ক শিল্প চর্চার ক্ষেত্রে স্বর্নাক্ষরে নাম লিখে যাওয়া অনেক গুনী ব্যক্তির পদচারণায় মুখরিত হয়ছে আমাদের এই প্রিয় শহর ময়মনসিংহ। উল্লেক্ষ্য যে, ময়মনসিংহের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের স্থিরচিত্র জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব “নায়েব উদ্দীন আহমেদ” এর মত নাম। যার তোলা মুক্তিযুদ্ধ সময়ের আলোকচিত্র কাপিয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বের বিবেককে। এছাড়াও আমাদের এই শহরের বাতাসে মিশে আছে প্রখ্যাত সাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। যার নির্মিত নাটক ও চলচিত্র বদলে দিয়েছে আমাদের দেশের মিডিয়ার রূপ রেখা।

কিন্তু দুঃখের ব্যাপার এই যে , একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই শহরে আলোকচিত্র ও চলচিত্র নিয়ে উল্ল্যেখ করার মত কার্জক্রম পরিচালিত হয়েছে খুব নগন্য। এই পর্যায়ে  ২০১২ সালের ৩১ আগস্ট থেকে Mymensingh Film & Photography Society প্রাথমিক পর্যায়ে অনলাইন কেন্দ্রিক কাজ শুরু করে যা পর্যায়ক্রমে মাঠ পর্যায়েও নিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং এখনো নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পাশে থেকে সব সময় সাহস দিয়ে এসেছেন জনাব ইকরামুল হক টিটু,জনাব মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, জনাব আ. ন. ম. ফয়জুল হক, জনাব ডাঃ আবুল মনসুর, জনাব অরুণাভ দত্ত, জনাব সংকর শাহা, জনাব আশরাফুল হক মানিক, জনাব হাসান মাসুদ এর মত গন্যমান্য ব্যক্তিরা। এছারাও ময়মনসিংহ পৌরসভা ও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন এর মত প্রতিষ্ঠানের ছত্রছায়া ও সহায়তায় এই তারুণ্য কেন্দ্রিক সংস্থাটি নানা কার্যক্রম সফলতার সাথে সম্পূর্ণ করতে পেরেছে।



লক্ষ্যঃ
Mymensingh Film & Photography Society এর লক্ষ ময়মনসিংহের তরুণদের সৃষ্টীশীল প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে ময়মনসিংহের স্থিরচিত্র ও চলচিত্র শিল্পকে বিকশিত করার মাধ্যমে বিশ্বদরবারে পৌছে দেওয়ার একটি প্রয়াস।

সম্পন্নকার্যক্রম সমূহঃ Mymensingh Film & Photography Society কর্তৃক সম্পাদিত কার্যক্রম সমূহ  উল্ল্যেখ করা হলো।

* স্থির চিত্র প্রদর্শনীঃ -

১। রিলিজ দ্যা সাটারঃ ব্রক্ষশৈলী ময়মনসিংহের সহায়তায় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি #MFPS ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল – ২০ এপ্রিল  আয়োজিত হয় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি এর প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী “রিলিজ দ্যা সাটার”। যা ছিল ,ময়মনসিংহে আয়োজিত অন্যতম সফল ও পরিপূর্ন আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

২। ছবি উৎসবঃ পহেলা ফাল্গুনকে কেন্দ্র করে ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারী ময়মনসিংহ পৌরসভার সহায়তায় ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি তাদের ২য় আলোকচিত্র প্রদর্শণী আয়োজন করে জয়নুল আবেদীন পার্কের বৈশাখী মঞ্চে। যা ছবি তুলে উদ্ভদন করেন ময়মনসিংহ পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র জনাব ইকরামুল হক টিটু। এই প্রদর্শনীও তার দর্শক প্রিয়তার যাত্রা ধরে রাখে।

৩। শারদীয় ফটো এক্সিবিশনঃ  ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির উদ্দ্যোগে ময়মনসিংহের ইতিহাসে প্রথম শারদীয় উৎসবের রঙকে ফ্রেমে বন্দি করে দূর্গাবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গনে ২ – ৩ অক্টোবর, ২০১৪ বসেছিল শারদীয় ফটো এক্সিবিশন।

৪। “শান্তি ও পরিবেশ” ফটো প্রদর্শনীঃ এমসিসি বাংলাদেশ, মাটি ও শান্তি মিত্র আয়োজিত হয় শান্তি ও ন্যায্যতা উৎসব। উল্ল্যেখিত সংস্থা গুলোর সাথে একত্রিত হয়ে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি আয়োজন করেছে “শান্তি ও পরিবেশ” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। যা আয়োজিত হয় ৬ – ৭  নভেম্বর, ২০১৪।

৫। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীঃ ২০১৪ এর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ উপজেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত ও পুরুষ্কৃত হয় স্কুল-কলেজ সহ প্রায় ২৪ টি ছবি।

৬। রিলিজ দ্যা সাটার ১/২ঃ জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালার অডিটরিয়ামে নিকনের সহযোগীতায়  ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির উদ্দ্যোগে ২০১৫ এর ৩-৭ জুন আয়োজিত হয়েছে রিলিজ দ্যা সাটার ১/২। ৫৪ জন ফটোগ্রাফারের ৫৪ টি ছবি স্থান পায় প্রদর্শনীতে।

** আলোকচিত্র কর্মশালাঃ ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি নতুন ফটোগ্রাফারদের শিক্ষার সহায়তার জন্য একাধিক কর্মশালা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

** মিডিয়া সহায়তাঃ  বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত ও ময়মনসিংহে চিত্রায়িত “মেঘমল্লার” এর ন্যায় সিনেমায় আমাদের তরফ থেকে প্রয়জনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছারাও কিছু ময়মনসিংহে চিত্রায়িত নাটক ও টেলিফিল্ম এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

** টেকনিক্যাল সহায়তাঃ ময়মনসিংহের নতুন আলোকচিত্রি ও নির্মাতাদেরকে যথা সম্ভব কারিগরি সহায়তা প্রদান করে আসছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি।

** ফোটোওয়াকঃ তরুন আলোকচিত্র শিল্পিদের নিয়ে একাধিক ফটোওয়াক আয়োজন করেছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি। উক্ত ফটোওয়াক থেকে নির্বাচিত সেরা ফটোকে পুরুষ্কৃত করা হয়েছে।

** ফটো কন্টেষ্টঃ একাধিক ফটো কন্টেষ্ট  আয়োজনের মাধ্যমে নতুন আলোকচিত্রশিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরনা সৃষ্টি করেছে।

** অন লাইন সাপোর্টঃ স্থির চিত্র ও চলচিত্র বিষয়ে আগ্রহীদের সব সময় সহায়তা দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের নানা সোশাল মিডিয়ার পেজ ও ওয়েব সাইট ( www.mymensinghfps.com )। যেখানে আগ্রহীরা জিজ্ঞাসা করতে পারে তাদের নানা প্রশ্ন।

ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ আমাদের পরিকল্পনাধীন প্রকল্প গুলোর মাঝে কিছু নিচে ঊল্ল্যেখিত হল।
১। স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র ও ডকুমেন্টারি ফেস্টিভালঃ আমাদের শহরের সৃষ্টিশীল তরুন ও দেশের অন্য প্রান্তের সৃষ্টিশীল তরুনদের নির্মিত স্বল্প দৈর্ঘের চলচিত্র ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও এর নিমিত্তে স্বল্প দৈর্ঘ চলচিত্র ফেস্টিভালের আয়োজন করা।
২। আলোকচিত্র প্রদর্শনীঃ আরো বড় মাপের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনের মাধ্যমে এ শহকে সারা দেশ তথা সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। এছাড়া প্রদর্শণীর ধারাবাহিকতা বজায় রাখে নতুন ফটোগ্রাফারদের আরো উদ্ভুদ্ধ করা।
৩। চলচিত্র প্রদর্শনীঃ ভালো মানের চলচিত্র প্রদর্শণী আয়োজনের মাধ্যমে দেশের উল্ল্যেখযোগ্য ফিল্ম তীর্থ গড়ে তোলা ময়মনসিংহে।
৪। স্থায়ী গ্যালারীঃ আমারা স্বপ্ন দেখি ময়মনসিংহে অন্যান্য উন্নত ও সভ্য শহরের মত একটি বিশ্বমানের স্থায়ী গ্যালারী প্রতিষ্টিত হবে। যাতে নিয়মিত হবে মান সম্পূর্ন ও শিল্পগুণ সমৃদ্ধ প্রদর্শনী।
৪ ভ্রাম্যমান চলচিত্র ও স্থিরচিত্র প্রদর্শনীঃ ভ্রাম্যমান প্রদর্শনীর মাধ্যমে চলচিত্র ও স্থির চিত্রকে সবখানে পৌছে দেওয়ার প্রয়াশ রয়েছে ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটির। বিশেষত ময়মনসিংহের স্কুল কলেজ গুলোতে পৌছে দিতে চায় এই নবযাত্রার মিছিল।
৫। প্রশাসন ও শহরের কজে সহায়তা করাঃ প্রশাসনের প্রয়োজনে আমাদের দক্ষ আলোকচিত্রি ও নির্মাতাদের সহায়তায় প্রশাসনিক শিল্প সম্পৃক্ত কাজে অংশগ্রহন।
 
সম্প্রিতিক সময়ে আমারা আমাদের সাধারন সদস্য পদ ওপেন করেছি ও প্রথম পর্যায়ে ২০ জন সদস্য নতুন যোগ হয়েছে আমাদের কার্য নির্বাহী গ্রুপের সাথে। ময়মনসিংহ ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি নামের ক্রমশ বর্ধমান সৃষ্টিশীল বৃক্ষটির দরকার সকলের সহায়তা ও সুনজর। আমরা সকলে একসাথে থেকে ছড়িয়ে দিবো আমাদের দৃষ্টিসীমা।

#MFPS #MFPSfb #MFPSfbGroup #MFPSGooglePlus #MFPStwitter